ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে : স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বিজিবি’র অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদসহ প্রাইভেট কার জব্দ, আটক ২ মাদারগঞ্জে অজ্ঞাত রোগে মরে যাচ্ছে মরিচগাছ, কৃষকের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন ইসলামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু লড়াই করেও পারল না বাংলাদেশ, চ্যাম্পিয়ন ভারত সয়েল ফিভারে থাইল্যান্ডে ৫৭০ জন আক্রান্ত, মৃত্যু ৪৫ দীর্ঘ ৫ বছর পর ছেলের সাথে ফোনে কথা বললেন অং সান সু চি

মেলান্দহে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

মেলান্দহের চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী। ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মেলান্দহের চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী। ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের এলাকাবাসী।

২৬ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের ভূমি কার্যালয়ের পাশে মহিরাকুল মোড়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসাহাক আলী, আলমগীর হোসেন, মুক্তা বেগম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতি ছাড়া কোনো কাজ হয় না। ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা ছাড়া কোনো জমির খারিজ করেন না ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলাম। কাগজ পত্রে একটু ত্রুটি থাকলে তিনি ১ লাখ থেকে ২ লাখ টাকা আদায় করেন। টাকা না দিলে এই ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কোনো কাজ করেন না এবং কাগজপত্র আলমারিতে তালাবদ্ধ করে রেখে দেন। জমি খারিজ করতে গেলে দরজা বন্ধ করে ঘুষ নেন।

২০০ টাকার খাজনার জন্য তিনি পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল-কে অপসারণ করে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলামের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ করে আলমগীর হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলাম এমন কোন লোক নাই যে তার কাছ থেকে ঘুষ না নিয়েছে। তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। আমি ৩ শতাংশ জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা চেয়েছে। ৩ শতাংশ জমির মূল্য কত ? আর তিনি আমার কাছে ঘুষ চান ৫০ হাজার টাকা।

মানববন্ধনে আরেক ভুক্তভোগী মুক্তা বেগম বলেন, ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল আমার কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকা নেওয়ার পর আমার সাথে আর কথা বলে না, আমি কথা বলতে গেলে খারাপ ব্যবহার করে। পরে ইউএনও স্যারের কাছ থেকে খারিজের কাগজ নিয়েছি।

আসমত আলী নামে একজন বলেন, আমি ৫-৬ দিন থেকে ঘুরতেছি, উনার কাছেই যাওয়া যায়না। কষ্ট করে এর আগে একটা দাখিলি করেছি যেটাতে ১৪৪ টাকার জায়গায় আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১৩০০ টাকা।

এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম মিঞা বলেন, বিষয়টি জেনেছি, তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী

মেলান্দহে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৯:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৩
মেলান্দহের চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী। ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের এলাকাবাসী।

২৬ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের ভূমি কার্যালয়ের পাশে মহিরাকুল মোড়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসাহাক আলী, আলমগীর হোসেন, মুক্তা বেগম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতি ছাড়া কোনো কাজ হয় না। ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা ছাড়া কোনো জমির খারিজ করেন না ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলাম। কাগজ পত্রে একটু ত্রুটি থাকলে তিনি ১ লাখ থেকে ২ লাখ টাকা আদায় করেন। টাকা না দিলে এই ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কোনো কাজ করেন না এবং কাগজপত্র আলমারিতে তালাবদ্ধ করে রেখে দেন। জমি খারিজ করতে গেলে দরজা বন্ধ করে ঘুষ নেন।

২০০ টাকার খাজনার জন্য তিনি পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল-কে অপসারণ করে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলামের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ করে আলমগীর হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলাম এমন কোন লোক নাই যে তার কাছ থেকে ঘুষ না নিয়েছে। তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। আমি ৩ শতাংশ জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা চেয়েছে। ৩ শতাংশ জমির মূল্য কত ? আর তিনি আমার কাছে ঘুষ চান ৫০ হাজার টাকা।

মানববন্ধনে আরেক ভুক্তভোগী মুক্তা বেগম বলেন, ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল আমার কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকা নেওয়ার পর আমার সাথে আর কথা বলে না, আমি কথা বলতে গেলে খারাপ ব্যবহার করে। পরে ইউএনও স্যারের কাছ থেকে খারিজের কাগজ নিয়েছি।

আসমত আলী নামে একজন বলেন, আমি ৫-৬ দিন থেকে ঘুরতেছি, উনার কাছেই যাওয়া যায়না। কষ্ট করে এর আগে একটা দাখিলি করেছি যেটাতে ১৪৪ টাকার জায়গায় আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১৩০০ টাকা।

এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম মিঞা বলেন, বিষয়টি জেনেছি, তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।