ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘প্রথম আলো’য় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন নিয়ে ২৮ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলো’র অনলাইন সংস্করণে ‘জামালপুরে আ.লীগের সম্মেলন শুরু, দর্শকসারির বেশির ভাগ চেয়ার খালি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি উদ্দেশ্যমূলক ও ভিত্তিহীন দাবি করে প্রকাশিত ওই সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ। ৫ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের নবঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিরন্তর আন্দোলন-সংগ্রাম ও নেতৃত্বের মাধ্যমে গড়ে উঠা অসাম্প্রদায়িক চিন্তা ও চেতনায় বিশ্বাসী দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও দুই লাখ ৭০ হাজার মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। যুদ্ধবিধ্বস্ত সেই স্বাধীন বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরের স্বপ্ন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেখেছিলেন। কিন্তু দেশি বিদেশী অপশক্তির নানামুখী ষড়যন্ত্রে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার শিকার হন তিনি। সোনার বাংলা বিনির্মাণের শুরুতেই ইতিহাসের সেই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। যুগে যুগে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বহু ষড়যন্ত্র হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে জাল পরিয়ে বাসন্তীর ছবি পত্রিকায় ছাপিয়ে বাংলাদেশের অর্ধনগ্ন চিত্র বিশ্ব দরবারে প্রদর্শনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। একই পথ ধরে ওয়ান/ইলেভেনে অনির্বাচিতদের ক্ষমতা গ্রহণ ও বিরাজনীতিকরণ অপতৎপরতার মাধ্যমে রাজনীতিকদের চরিত্র হননে কিছু সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা কারোরই অজানা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সেই একই চিত্র আবারও আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে। দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোর অবাধ স্বাধীনতার সুযোগে কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যম আবারো সেই পুরনো ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে শুরু করেছে। ‘প্রথম আলো’ পত্রিকা সেই ষড়যন্ত্রের মূলহোতাদের একটি। জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে ‘প্রথম আলো’য় ২৮ নভেম্বর তাদের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত সেই সংবাদ তারই অংশ বলে আমরা মনে করি।

তিনি আরও বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা সাংবাদিকদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। প্রথম আলোয় প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে ২৮ নভেম্বর দুপুরে লাখো জনতার উপস্থিতিতে জামালপুর জিলা স্কুল মাঠে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপিসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘প্রথম আলো’য় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে লিখিত বক্তব্যে বিজন কুমার চন্দ বলেন, স্বত:স্ফূর্ত নেতাকর্মীদের ঢলে কানায় কানায় ভরা জামালপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলন নিয়ে ২৮ নভেম্বর প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবশেন করা হয়। ওইদিন সম্মেলন শুরুর নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিলো দুপুর ২টা। দুপুর ২টার মধ্যেই পুরো মাঠ এবং তৎসংলগ্ন এলাকা জনারণ্যে পরিণত হয়। অথচ জনমনে নেতিবাচক ধারণা দেওয়ার হীন উদ্দেশ্যে বেলা ১২টার দিকে কিছু আসন খালি থাকার দৃশ্য ধারণ করে তা প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সুসংহত সাংগঠনিক সামর্থ্যকে জাতির কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্গ জামালপুর জেলা মির্জা আজম এমপির জেলা। সেই দুর্গের বাস্তব চিত্র আড়াল করে ‘প্রথম আলো’য় তাদের জামালপুর প্রতিনিধির মাধ্যমে যে চিত্র ওই পত্রিকায় প্রকাশ করেছেন, এতে জামালপুরের সার্বিক উন্নয়নের রূপকার মির্জা আজম এমপির ভাবমূর্তিকে খাটো করার অপচেষ্টা করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সংবাদ সম্মেলনে আগামী দিনগুলোতে জামালপুরের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সহযাত্রী হিসেবে সাংবাদিকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের নবঘোষিত কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য জাতীয়ভাবে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ২৮ নভেম্বর উদ্দেশ্যমূলক ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে। তিনি ওই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ওই পত্রিকাটি সর্বদাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অপপ্রচারে লিপ্ত থাকে।

সংবাদ সম্মেলনে জামালপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, জামালপুর পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেনসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং জামালপুর জেলায় কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

‘প্রথম আলো’য় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ১০:৪২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন নিয়ে ২৮ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলো’র অনলাইন সংস্করণে ‘জামালপুরে আ.লীগের সম্মেলন শুরু, দর্শকসারির বেশির ভাগ চেয়ার খালি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি উদ্দেশ্যমূলক ও ভিত্তিহীন দাবি করে প্রকাশিত ওই সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ। ৫ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের নবঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিরন্তর আন্দোলন-সংগ্রাম ও নেতৃত্বের মাধ্যমে গড়ে উঠা অসাম্প্রদায়িক চিন্তা ও চেতনায় বিশ্বাসী দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও দুই লাখ ৭০ হাজার মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। যুদ্ধবিধ্বস্ত সেই স্বাধীন বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরের স্বপ্ন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেখেছিলেন। কিন্তু দেশি বিদেশী অপশক্তির নানামুখী ষড়যন্ত্রে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার শিকার হন তিনি। সোনার বাংলা বিনির্মাণের শুরুতেই ইতিহাসের সেই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। যুগে যুগে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বহু ষড়যন্ত্র হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে জাল পরিয়ে বাসন্তীর ছবি পত্রিকায় ছাপিয়ে বাংলাদেশের অর্ধনগ্ন চিত্র বিশ্ব দরবারে প্রদর্শনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। একই পথ ধরে ওয়ান/ইলেভেনে অনির্বাচিতদের ক্ষমতা গ্রহণ ও বিরাজনীতিকরণ অপতৎপরতার মাধ্যমে রাজনীতিকদের চরিত্র হননে কিছু সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা কারোরই অজানা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সেই একই চিত্র আবারও আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে। দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোর অবাধ স্বাধীনতার সুযোগে কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যম আবারো সেই পুরনো ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে শুরু করেছে। ‘প্রথম আলো’ পত্রিকা সেই ষড়যন্ত্রের মূলহোতাদের একটি। জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে ‘প্রথম আলো’য় ২৮ নভেম্বর তাদের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত সেই সংবাদ তারই অংশ বলে আমরা মনে করি।

তিনি আরও বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা সাংবাদিকদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। প্রথম আলোয় প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে ২৮ নভেম্বর দুপুরে লাখো জনতার উপস্থিতিতে জামালপুর জিলা স্কুল মাঠে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপিসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘প্রথম আলো’য় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে লিখিত বক্তব্যে বিজন কুমার চন্দ বলেন, স্বত:স্ফূর্ত নেতাকর্মীদের ঢলে কানায় কানায় ভরা জামালপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলন নিয়ে ২৮ নভেম্বর প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবশেন করা হয়। ওইদিন সম্মেলন শুরুর নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিলো দুপুর ২টা। দুপুর ২টার মধ্যেই পুরো মাঠ এবং তৎসংলগ্ন এলাকা জনারণ্যে পরিণত হয়। অথচ জনমনে নেতিবাচক ধারণা দেওয়ার হীন উদ্দেশ্যে বেলা ১২টার দিকে কিছু আসন খালি থাকার দৃশ্য ধারণ করে তা প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সুসংহত সাংগঠনিক সামর্থ্যকে জাতির কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্গ জামালপুর জেলা মির্জা আজম এমপির জেলা। সেই দুর্গের বাস্তব চিত্র আড়াল করে ‘প্রথম আলো’য় তাদের জামালপুর প্রতিনিধির মাধ্যমে যে চিত্র ওই পত্রিকায় প্রকাশ করেছেন, এতে জামালপুরের সার্বিক উন্নয়নের রূপকার মির্জা আজম এমপির ভাবমূর্তিকে খাটো করার অপচেষ্টা করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সংবাদ সম্মেলনে আগামী দিনগুলোতে জামালপুরের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সহযাত্রী হিসেবে সাংবাদিকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের নবঘোষিত কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য জাতীয়ভাবে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ২৮ নভেম্বর উদ্দেশ্যমূলক ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে। তিনি ওই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ওই পত্রিকাটি সর্বদাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অপপ্রচারে লিপ্ত থাকে।

সংবাদ সম্মেলনে জামালপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, জামালপুর পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেনসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং জামালপুর জেলায় কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।