ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্ত্রীকে পুড়িয়ে মেরেছে স্বামী নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরান ও উপসাগরজুড়ে নতুন হামলা, আরও বিস্তৃত হচ্ছে যুদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার জামালপুরে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কাজিদের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আমি শুধু বিএনপির এমপি নই, সকল দলের মানুষের এমপি : মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

বকশীগঞ্জে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল সাথী

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে সাজেদা আক্তার সাথী (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রী। সে ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

৩ জুলাই সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী।

জানা গেছে, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের গোলাম হোসেনের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সাজেদা আক্তার সাথীর ৩ জুলাই রাতে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বিয়ে উপলক্ষে কনে পক্ষ সকল আয়োজন সম্পন্ন করলে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী তাৎক্ষণিক বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বর পক্ষ আসার আগেই বিয়ের সকল আয়োজন পন্ড করে দেন। এ সময় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা গোলাম হোসেন ১৮ বছরের আগে তার কন্যাকে বিয়ে না দিতে মুচলেকা প্রদান করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীকে পুড়িয়ে মেরেছে স্বামী

বকশীগঞ্জে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল সাথী

আপডেট সময় ০৬:০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে সাজেদা আক্তার সাথী (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রী। সে ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

৩ জুলাই সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী।

জানা গেছে, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের গোলাম হোসেনের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সাজেদা আক্তার সাথীর ৩ জুলাই রাতে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বিয়ে উপলক্ষে কনে পক্ষ সকল আয়োজন সম্পন্ন করলে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নির্দেশে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী তাৎক্ষণিক বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বর পক্ষ আসার আগেই বিয়ের সকল আয়োজন পন্ড করে দেন। এ সময় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা গোলাম হোসেন ১৮ বছরের আগে তার কন্যাকে বিয়ে না দিতে মুচলেকা প্রদান করেন।