ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের সততা, দক্ষতা ও মানবিকতার সঙ্গে জনগণের সেবা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দালালমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিতের সুপারিশ স্থায়ী কমিটির ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপে ১০০০ ইউপিতে নির্বাচন : ইসি সচিব মাদারগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত মেলান্দহে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪ ইসলামপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত জামালপুরে স্বাস্থ্য পুষ্টি ওয়াস বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু দুশ্চিন্তায় মাদারগঞ্জের কৃষকেরা, হাতবদলেই ১৭ টাকার মরিচ ৫০ টাকা কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত

জামালপুর : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়ার উদ্যােগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ নভেম্বর, শনিবার রাতে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল গেট ঔষধ মার্কেটে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফিরোজ মিয়া বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান দিয়েছিলেন। রণাঙ্গনে তিনি যুদ্ধ করেছেন। আর শেখ মুজিবুর রহমান স্বেচ্ছায় পাকিস্তানের কারাগারে গিয়েছিলেন। আজকের এই দিনটি জিয়াউর রহমানকে অত্যন্ত ভরাক্রান্ত চিত্তে মনে পড়ে। সেই জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে এই বিপ্লব ও সংহতি দিবস হতো না। এই জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। এই বাংলাদেশ জিয়াউর রহমানের উপহার।

তিনি আরও বলেন, আজকে সেই জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের জনগণ ভোট দিয়ে আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছে। তারেক রহমান এই দেশের সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করে এই দেশের পরিবেশ পরিস্থিতি সুন্দর রেখে তিনি দেশ পরিচালনা করেছেন। আজকে দেখেন শেখ হাসিনাকে নিয়ে যখন ক্ষমতায় বহিয়ে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থাকে বিলুপ্ত করে, বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করলেন জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, আজকের এই ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বলতে চাই এই দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করবে আমরা তাদেরকে কেউ প্রশ্রয় দিবো না। আমরা তাদেরকে রাজপথে মোকাবিলা করবো। আজকে আওয়ামী লীগ ঘাপটি মেরে বসে আছে। আজকের এই দিনে সকলকে শপথ নিতে হবে। বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে দেশের প্রয়োজনে নিজেকে আত্মাহুতি দিতে হবে। জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের নির্দেশে রাজ পথে আসতে হবে। জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। এই দেশে জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি। জিয়াউর রহমানের সন্তানকে আজকে এই দেশের মানুষ ভালোবেসে ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী করেছেন।

শহর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আলতাব হোসেন মন্ডলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আনিছুর রহমান আনিছ, বিএনপি নেতা মো. মোতালেব হোসেন, শহর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, নূর ইসলাম, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক তাইফুল ইসলাম, সদস্য মোর্শেদ রুহানি, মোস্তফা, সাবেক সদস্য ফরিদুল ইসলাম, শহর যুবদলের সদস্য সচিব জিয়াউল হক জিয়া, শ্রমিক নেতা জাকির হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সবুজ প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের সততা, দক্ষতা ও মানবিকতার সঙ্গে জনগণের সেবা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত

আপডেট সময় ১০:৪০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়ার উদ্যােগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ নভেম্বর, শনিবার রাতে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল গেট ঔষধ মার্কেটে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফিরোজ মিয়া বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান দিয়েছিলেন। রণাঙ্গনে তিনি যুদ্ধ করেছেন। আর শেখ মুজিবুর রহমান স্বেচ্ছায় পাকিস্তানের কারাগারে গিয়েছিলেন। আজকের এই দিনটি জিয়াউর রহমানকে অত্যন্ত ভরাক্রান্ত চিত্তে মনে পড়ে। সেই জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে এই বিপ্লব ও সংহতি দিবস হতো না। এই জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। এই বাংলাদেশ জিয়াউর রহমানের উপহার।

তিনি আরও বলেন, আজকে সেই জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের জনগণ ভোট দিয়ে আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছে। তারেক রহমান এই দেশের সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করে এই দেশের পরিবেশ পরিস্থিতি সুন্দর রেখে তিনি দেশ পরিচালনা করেছেন। আজকে দেখেন শেখ হাসিনাকে নিয়ে যখন ক্ষমতায় বহিয়ে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থাকে বিলুপ্ত করে, বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করলেন জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, আজকের এই ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বলতে চাই এই দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করবে আমরা তাদেরকে কেউ প্রশ্রয় দিবো না। আমরা তাদেরকে রাজপথে মোকাবিলা করবো। আজকে আওয়ামী লীগ ঘাপটি মেরে বসে আছে। আজকের এই দিনে সকলকে শপথ নিতে হবে। বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে দেশের প্রয়োজনে নিজেকে আত্মাহুতি দিতে হবে। জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের নির্দেশে রাজ পথে আসতে হবে। জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। এই দেশে জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি। জিয়াউর রহমানের সন্তানকে আজকে এই দেশের মানুষ ভালোবেসে ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী করেছেন।

শহর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আলতাব হোসেন মন্ডলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আনিছুর রহমান আনিছ, বিএনপি নেতা মো. মোতালেব হোসেন, শহর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, নূর ইসলাম, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক তাইফুল ইসলাম, সদস্য মোর্শেদ রুহানি, মোস্তফা, সাবেক সদস্য ফরিদুল ইসলাম, শহর যুবদলের সদস্য সচিব জিয়াউল হক জিয়া, শ্রমিক নেতা জাকির হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সবুজ প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।