ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মেয়র কিংবা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মানিক সওদাগর

বিএনপিনেতা মানিক সওদাগর। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সততা, ত্যাগ ও বিশ্বস্ততার প্রতীক হিসাবে পরিচিতমুখ মানিক সওদাগর। তাকে ঘিরেই নতুন করে আশার আলো দেখছেন ভোটারেরা।

স্থানীয় নির্বাচনগুলোকে সামনে রেখে উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে এখন থেকেই নতুন করে গুঞ্জন ও আলোচনা শুরু হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে বকশীগঞ্জের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মানিক সওদাগরকে আগামী দিনে উপজেলা বা পৌরসভা নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত নেতা হিসাবে দেখতে চাইছেন। অনেকেই তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভ কামনা জানিয়ে পোস্ট করছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদ সদস্য ও বর্তমান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের রাজনৈতিক দর্শনে বিশ্বাসী মানিক সওদাগর তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন পরিচ্ছন্ন নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা ঝড়-ঝাপটা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও আদর্শের পথ থেকে বিচ্যুত হননি তিনি।

তৃণমূল থেকে নেতৃত্বের শীর্ষ স্তরে মোহাম্মদ মানিক সওদাগরের রাজনৈতিক ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বকশীগঞ্জের আনাচে-কানাচে বিস্তৃত। তিনি বকশীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য থেকে শুরু করে পরবর্তীতে অত্যন্ত সফলতার সাথে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি বিআরডিবি চেয়ারম্যান, বাস-ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি এবং শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি হিসাবেও বিভিন্ন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ সময় বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মানিক সওদাগর এলাকার সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষের কাছে অত্যন্ত সহজ-সরল ও অহংকারহীন একজন ‘মাটির মানুষ’ হিসেবে পরিচিত। ভোর থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পছন্দ করেন। যেকোনো সামাজিক দুর্যোগ ও সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে তিনি সবসময় বকশীগঞ্জবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন।

বিশেষ করে বকশীগঞ্জের ছাত্রসমাজ ও তরুণ প্রজন্মের সাথে তার রয়েছে অত্যন্ত চমৎকার ও নিবিড় সুসম্পর্ক। তরুণদের যেকোনো ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে তিনি সবসময় উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকেন। যার ফলে স্থানীয় যুবসমাজের মাঝেও তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা তৈরি রয়েছে।

উপজেলার কয়েকজন প্রবীণ নাগরিকেরা জানান, মানিক সওদাগর এমন একজন নেতা যিনি পদের পেছনে ছোটেন না। বরং কাজ ও ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করেছেন। প্রবীণ থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম- সব শ্রেণির মানুষের মাঝেই তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

সামনে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনগুলোর তফসিল এখনও ঘোষণা না হলেও আগামী দিনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে উপজেলার চা-স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কার্যালয়গুলোতে মানিক সওদাগরের নাম এখন থেকেই জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, বকশীগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে মানিক সওদাগরের মত একজন সৎ ও পরীক্ষিত নেতার কোন বিকল্প নেই।

তৃণমূলের সাধারণ ভোটার ও তরুণ সমাজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামীতে যে স্থানীয় নির্বাচনই অনুষ্ঠিত হোক না কেন মোহাম্মদ মানিক সওদাগর সেখানে অংশ নিলে বকশীগঞ্জবাসী তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জনসেবার মানসিকতাই তাকে বকশীগঞ্জের গণআকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর  এ প্রতিবেদকে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছি। টানা নয় বছর ইউপি চেয়ারম্যান হিসাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছি। জনগণ আবারও সুযোগ দিলে তাদের সেবক হিসাবে কাজ করতে চাই।

একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা

মেয়র কিংবা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মানিক সওদাগর

আপডেট সময় ১০:৪১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সততা, ত্যাগ ও বিশ্বস্ততার প্রতীক হিসাবে পরিচিতমুখ মানিক সওদাগর। তাকে ঘিরেই নতুন করে আশার আলো দেখছেন ভোটারেরা।

স্থানীয় নির্বাচনগুলোকে সামনে রেখে উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে এখন থেকেই নতুন করে গুঞ্জন ও আলোচনা শুরু হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে বকশীগঞ্জের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মানিক সওদাগরকে আগামী দিনে উপজেলা বা পৌরসভা নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত নেতা হিসাবে দেখতে চাইছেন। অনেকেই তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভ কামনা জানিয়ে পোস্ট করছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদ সদস্য ও বর্তমান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের রাজনৈতিক দর্শনে বিশ্বাসী মানিক সওদাগর তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন পরিচ্ছন্ন নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা ঝড়-ঝাপটা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও আদর্শের পথ থেকে বিচ্যুত হননি তিনি।

তৃণমূল থেকে নেতৃত্বের শীর্ষ স্তরে মোহাম্মদ মানিক সওদাগরের রাজনৈতিক ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বকশীগঞ্জের আনাচে-কানাচে বিস্তৃত। তিনি বকশীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য থেকে শুরু করে পরবর্তীতে অত্যন্ত সফলতার সাথে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি বিআরডিবি চেয়ারম্যান, বাস-ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি এবং শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি হিসাবেও বিভিন্ন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ সময় বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মানিক সওদাগর এলাকার সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষের কাছে অত্যন্ত সহজ-সরল ও অহংকারহীন একজন ‘মাটির মানুষ’ হিসেবে পরিচিত। ভোর থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পছন্দ করেন। যেকোনো সামাজিক দুর্যোগ ও সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে তিনি সবসময় বকশীগঞ্জবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন।

বিশেষ করে বকশীগঞ্জের ছাত্রসমাজ ও তরুণ প্রজন্মের সাথে তার রয়েছে অত্যন্ত চমৎকার ও নিবিড় সুসম্পর্ক। তরুণদের যেকোনো ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে তিনি সবসময় উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকেন। যার ফলে স্থানীয় যুবসমাজের মাঝেও তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা তৈরি রয়েছে।

উপজেলার কয়েকজন প্রবীণ নাগরিকেরা জানান, মানিক সওদাগর এমন একজন নেতা যিনি পদের পেছনে ছোটেন না। বরং কাজ ও ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করেছেন। প্রবীণ থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম- সব শ্রেণির মানুষের মাঝেই তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

সামনে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনগুলোর তফসিল এখনও ঘোষণা না হলেও আগামী দিনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে উপজেলার চা-স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কার্যালয়গুলোতে মানিক সওদাগরের নাম এখন থেকেই জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, বকশীগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে মানিক সওদাগরের মত একজন সৎ ও পরীক্ষিত নেতার কোন বিকল্প নেই।

তৃণমূলের সাধারণ ভোটার ও তরুণ সমাজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামীতে যে স্থানীয় নির্বাচনই অনুষ্ঠিত হোক না কেন মোহাম্মদ মানিক সওদাগর সেখানে অংশ নিলে বকশীগঞ্জবাসী তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জনসেবার মানসিকতাই তাকে বকশীগঞ্জের গণআকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর  এ প্রতিবেদকে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছি। টানা নয় বছর ইউপি চেয়ারম্যান হিসাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছি। জনগণ আবারও সুযোগ দিলে তাদের সেবক হিসাবে কাজ করতে চাই।