ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পাঁচ বছরে মাদারগঞ্জে এক লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা বিএনপির সরিষাবাড়ীতে মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি জামালপুরে জেসমিন প্রকল্পের সেরা চর্চা বিষয়ক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

শেরপুরের ৭ গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত

নকলা : নকলা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয় ঈদুল ফিতরের নামাজ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে শেরপুরের সাতটি গ্রামের কিছু মুসুল্লিরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। ৩০ মার্চ রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে এসব গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করেন তারা।

প্রতিটি জামাতে শতাধিক করে মুসল্লির অংশগ্রহণের পাশাপাশি নারী মুসুল্লিরা পর্দার আড়ালে একই জামাতের সহিত ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজের পর পারস্পরিক কোলাকোলি শেষে তারা অংশ নেন প্রীতিভোজে। এরপর আনন্দ উল্লাসে মেতে থাকেন সারাদিন।

ঈদুল ফিতর পালিত হওয়া গ্রামগুলো হলো- শেরপুর সদর উপজেলার উত্তর চরখারচর ও দক্ষিণ চরখারচর. নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও গোবিন্দনগর ছয়আনীপাড়া, নকলা উপজেলার চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার বনগাঁও চতল ও বামনেরচর।

স্থানীয়দের তথ্য মতে, শেরপুরের এসব গ্রামের একাংশ মুসল্লি সৌদি আরবসহ ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে প্রতিবছরই তারা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করে আসছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী

শেরপুরের ৭ গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০২:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে শেরপুরের সাতটি গ্রামের কিছু মুসুল্লিরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। ৩০ মার্চ রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে এসব গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করেন তারা।

প্রতিটি জামাতে শতাধিক করে মুসল্লির অংশগ্রহণের পাশাপাশি নারী মুসুল্লিরা পর্দার আড়ালে একই জামাতের সহিত ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজের পর পারস্পরিক কোলাকোলি শেষে তারা অংশ নেন প্রীতিভোজে। এরপর আনন্দ উল্লাসে মেতে থাকেন সারাদিন।

ঈদুল ফিতর পালিত হওয়া গ্রামগুলো হলো- শেরপুর সদর উপজেলার উত্তর চরখারচর ও দক্ষিণ চরখারচর. নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও গোবিন্দনগর ছয়আনীপাড়া, নকলা উপজেলার চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার বনগাঁও চতল ও বামনেরচর।

স্থানীয়দের তথ্য মতে, শেরপুরের এসব গ্রামের একাংশ মুসল্লি সৌদি আরবসহ ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে প্রতিবছরই তারা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করে আসছেন।