ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তিন শতাধিক তালবীজ রোপণ হৃদয়ের রেকর্ডগড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাংবাদিক লায়নের পিতার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান ৭৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই এনজিও

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আপডেট সময় ০৫:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

আজ ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত হয় বিজয় দিবসের ৪ দিন আগে ১২ ডিসেম্বরে।

বাংলাদেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর দুই শতাধিক পাকসেনা রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগনাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান নেয়। এ সংবাদে রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভূমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

পিংনার বারইপটল ফুলদহ পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২ জন শহীদ হন। সারারাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর ভোরে সব পাক সেনা সদস্যদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গৌরিশংকর মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। সরিষাবাড়ী থানা শত্রু মুক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বণিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।