ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তিন শতাধিক তালবীজ রোপণ হৃদয়ের রেকর্ডগড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাংবাদিক লায়নের পিতার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান ৭৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই এনজিও

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস

দেওয়ানগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মুক্ত করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

৬ ডিসেম্বর ভোরে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনস্থ গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ঘাট এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে আক্রমণ করে। সেদিন পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকাররা পালিয়ে যায়।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করে গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম জানান, ৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে দেওয়ানগঞ্জ থেকে বিতাড়িত করার পর, জিলবাংলা চিনিকল, দেওয়ানগঞ্জ কো-অপারেটিভ হাইস্কুল এবং এ কে এম কলেজে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করি। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পালিয়ে যাওয়ার খবরে সেদিন দেওয়ানগঞ্জের আপামর জনতা খুশিতে রাস্তায় নেমে আসে। সকলের মুখে সেদিন বিজয়ের স্লোগানে মুখর হয়েছিল দেওয়ানগঞ্জের আকাশ বাতাস।

প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ হানাদারমুক্ত দিবসে নানা কর্মসূচি পালন করে দেওয়ানগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। কর্মসূচির মধ্যে পতাকা উত্তোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের স্মরণে দোয়া ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিগত বছরের মতো এবারো পতাকা উত্তোলন ও শহিদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া-সহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস

আপডেট সময় ০৬:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪

দেওয়ানগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মুক্ত করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

৬ ডিসেম্বর ভোরে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনস্থ গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ঘাট এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে আক্রমণ করে। সেদিন পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকাররা পালিয়ে যায়।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করে গাজী নাছির কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম জানান, ৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে দেওয়ানগঞ্জ থেকে বিতাড়িত করার পর, জিলবাংলা চিনিকল, দেওয়ানগঞ্জ কো-অপারেটিভ হাইস্কুল এবং এ কে এম কলেজে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করি। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পালিয়ে যাওয়ার খবরে সেদিন দেওয়ানগঞ্জের আপামর জনতা খুশিতে রাস্তায় নেমে আসে। সকলের মুখে সেদিন বিজয়ের স্লোগানে মুখর হয়েছিল দেওয়ানগঞ্জের আকাশ বাতাস।

প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ হানাদারমুক্ত দিবসে নানা কর্মসূচি পালন করে দেওয়ানগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। কর্মসূচির মধ্যে পতাকা উত্তোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের স্মরণে দোয়া ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিগত বছরের মতো এবারো পতাকা উত্তোলন ও শহিদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া-সহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।