ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তিন শতাধিক তালবীজ রোপণ হৃদয়ের রেকর্ডগড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাংবাদিক লায়নের পিতার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান ৭৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই এনজিও

স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন : ইসলামপুর থেকে কোরবানির পশু যাচ্ছে ঢাকায়

ইসলামপুর থেকে ছেড়ে যায় স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ইসলামপুর থেকে ছেড়ে যায় স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে কোরবানির পশু ৫০০ টাকায় স্পেশাল ক্যাটল ট্রেনটি যাত্রা শুরু হয়েছে। ১২ জুন বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ইসলামপুর থেকে প্রথম ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে তিনটি ক্যাটল ট্রেন চালু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রতি বগিতে ১৬টি করে গরু নিতে খরচ হবে ৮ হাজার টাকা। গরু প্রতি গুণতে হবে ৫০০ টাকা।

প্রতিটি ট্রেনে ২৬টি করে ওয়াগন রয়েছে। প্রত্যেকটিতে ১৬টি করে গরু নিয়ে যাওয়া হয়।

এবছর ইসলামপুর থেকে ৬২টি ও মেলান্দহ স্টেশন থেকে ৬টি ওয়াগন বুকিং করেছে গরু ব্যবসায়ীরা। প্রতিটি ওয়াগনের ভাড়া ৮ হাজার টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় প্রথম ট্রেনটি ছাড়ার দুই ঘণ্টা পর দ্বিতীয় ট্রেনটি ছেড়ে যায়। ১৩ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে তৃতীয় ট্রেনটি ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

গরু ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম বলেন, আগে ট্রাকে করে গরু নিয়ে গেলে অনেক সমস্যায় পড়তে হতো। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দেওয়া লাগতো।

আলিম শেখ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ট্রাকে করে গেলে গরুর অসুস্থ হয়ে পড়ে। ট্রেনে গেলে কোনো ঝাকি লাগে না। গরু নিয়ে আরামে ঢাকা যাইতেছি।

জয়নাল মিয়া বলেন, ট্রেনে গেলে আমাদের খরচ অর্ধেক লাগে। যেখানে ট্রাকে গেলে বেশি খরচ ও ঝুঁকি বেশি থাকে। সেজন্য এসব এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা এখন ট্রাকের বদলে এই ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনকেই বেশি পছন্দ করছে।

ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনের আরও ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। এমন পরিবহন ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন : ইসলামপুর থেকে কোরবানির পশু যাচ্ছে ঢাকায়

আপডেট সময় ১১:০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
ইসলামপুর থেকে ছেড়ে যায় স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে কোরবানির পশু ৫০০ টাকায় স্পেশাল ক্যাটল ট্রেনটি যাত্রা শুরু হয়েছে। ১২ জুন বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ইসলামপুর থেকে প্রথম ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে তিনটি ক্যাটল ট্রেন চালু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রতি বগিতে ১৬টি করে গরু নিতে খরচ হবে ৮ হাজার টাকা। গরু প্রতি গুণতে হবে ৫০০ টাকা।

প্রতিটি ট্রেনে ২৬টি করে ওয়াগন রয়েছে। প্রত্যেকটিতে ১৬টি করে গরু নিয়ে যাওয়া হয়।

এবছর ইসলামপুর থেকে ৬২টি ও মেলান্দহ স্টেশন থেকে ৬টি ওয়াগন বুকিং করেছে গরু ব্যবসায়ীরা। প্রতিটি ওয়াগনের ভাড়া ৮ হাজার টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় প্রথম ট্রেনটি ছাড়ার দুই ঘণ্টা পর দ্বিতীয় ট্রেনটি ছেড়ে যায়। ১৩ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে তৃতীয় ট্রেনটি ইসলামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

গরু ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম বলেন, আগে ট্রাকে করে গরু নিয়ে গেলে অনেক সমস্যায় পড়তে হতো। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দেওয়া লাগতো।

আলিম শেখ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ট্রাকে করে গেলে গরুর অসুস্থ হয়ে পড়ে। ট্রেনে গেলে কোনো ঝাকি লাগে না। গরু নিয়ে আরামে ঢাকা যাইতেছি।

জয়নাল মিয়া বলেন, ট্রেনে গেলে আমাদের খরচ অর্ধেক লাগে। যেখানে ট্রাকে গেলে বেশি খরচ ও ঝুঁকি বেশি থাকে। সেজন্য এসব এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা এখন ট্রাকের বদলে এই ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনকেই বেশি পছন্দ করছে।

ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনের আরও ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। এমন পরিবহন ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।