ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে: ওবায়দুল কাদের

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে, বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাঁচাতে হলে, বাংলাদেশের অর্জনকে বাঁচাতে হলে ক্ষমতার মঞ্চে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই।’

তিনি বলেন, গত ৪৭ বছরে সফল নেত্রীর নাম শেখ হাসিনা, দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা। সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।

৪ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে এখনও চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে মারতে এখনও চক্রান্ত করছেন সেটা জানি। কারণ, আমরা ইতিহাস জানি। বঙ্গবন্ধুকে নির্বাচনে হারানো যাবে না; সেজন্য তারা স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে ছিলেন। তা না হলে তাদেরও আজ বেঁচে থাকার কথা ছিল না। পলোগ্রাউন্ডের সর্বকালের সর্ববৃহৎ এ সমাবেশে আসার কথা ছিল না।

তিনি বলেন, ‘সরকারের ঘুম নষ্ট হয়নি। ঘুমটা নষ্ট শেখ হাসিনার। দেশের মানুষের জন্য, মানুষকে বাঁচানোর জন্য, গরীব মানুষকে, দুঃখী মানুষকে বাঁচানোর জন্য শেখ হাসিনাকে রাত জাগতে হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে দেখে যান ফখরুল সাহেব, আমির খসরু সাহেব। এখানে দাঁড়িয়ে বড় বড় কথা বলেছেন। আমির খসরু, নোমান সাহেব, মীর নাসির সাহেব দেখুন কত লোক হয়েছে, আপনাদের আটটা সমাবেশের সমান লোক হয়েছে আজকের পলোগ্রাউন্ডে। চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার জনসভায় এখানে যত লোক তার আটগুণ বেশি লোক বাইরে, গোটা চট্টগ্রাম আজ মিছিলের নগরে পরিণত হয়েছে। সংবিধান সংশোধন হবে না, মাথা থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূত নামিয়ে ফেলুন।’

বিএনপির নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘মহাসমাবেশ নয়, এটি মহাসমুদ্র। সমুদ্র, কর্ণফুলীর সব ঢেউ আজ পলোগ্রাউন্ডে। বঙ্গোপসাগরের সব ঢেউ চট্টগ্রাম প্রান্তে। সব ঢেউ আজকে চট্টগ্রাম শহরে। দেখে যান, জনপ্রিয়তা কাকে বলে।’

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে: ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ০৭:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে, বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাঁচাতে হলে, বাংলাদেশের অর্জনকে বাঁচাতে হলে ক্ষমতার মঞ্চে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই।’

তিনি বলেন, গত ৪৭ বছরে সফল নেত্রীর নাম শেখ হাসিনা, দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা। সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।

৪ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে এখনও চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে মারতে এখনও চক্রান্ত করছেন সেটা জানি। কারণ, আমরা ইতিহাস জানি। বঙ্গবন্ধুকে নির্বাচনে হারানো যাবে না; সেজন্য তারা স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে ছিলেন। তা না হলে তাদেরও আজ বেঁচে থাকার কথা ছিল না। পলোগ্রাউন্ডের সর্বকালের সর্ববৃহৎ এ সমাবেশে আসার কথা ছিল না।

তিনি বলেন, ‘সরকারের ঘুম নষ্ট হয়নি। ঘুমটা নষ্ট শেখ হাসিনার। দেশের মানুষের জন্য, মানুষকে বাঁচানোর জন্য, গরীব মানুষকে, দুঃখী মানুষকে বাঁচানোর জন্য শেখ হাসিনাকে রাত জাগতে হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে দেখে যান ফখরুল সাহেব, আমির খসরু সাহেব। এখানে দাঁড়িয়ে বড় বড় কথা বলেছেন। আমির খসরু, নোমান সাহেব, মীর নাসির সাহেব দেখুন কত লোক হয়েছে, আপনাদের আটটা সমাবেশের সমান লোক হয়েছে আজকের পলোগ্রাউন্ডে। চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার জনসভায় এখানে যত লোক তার আটগুণ বেশি লোক বাইরে, গোটা চট্টগ্রাম আজ মিছিলের নগরে পরিণত হয়েছে। সংবিধান সংশোধন হবে না, মাথা থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূত নামিয়ে ফেলুন।’

বিএনপির নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘মহাসমাবেশ নয়, এটি মহাসমুদ্র। সমুদ্র, কর্ণফুলীর সব ঢেউ আজ পলোগ্রাউন্ডে। বঙ্গোপসাগরের সব ঢেউ চট্টগ্রাম প্রান্তে। সব ঢেউ আজকে চট্টগ্রাম শহরে। দেখে যান, জনপ্রিয়তা কাকে বলে।’