ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

বকশীগঞ্জে কেন্দ্র সচিবকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট-জেএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ১ নভেম্বর জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা তিনজন ভুয়া শিক্ষককে আটক করে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই তিন ভুয়া শিক্ষক উপজেলার হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সাথে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ওই কেন্দ্রের সচিব স্থানীয় চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জানা গেছে, উপজেলার বাট্টাজোর ইউনিয়নের হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ নভেম্বর সকালে জেএসসি বাংলা পরীক্ষায় কয়েকজন ভুয়া শিক্ষক কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করছিলেন- এমন অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী হাকিম ও বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ওই পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিযান চালান।

এ সময় তিনজন ভুয়া শিক্ষককে আটক করা হয়। তারা হলেন- উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের টাঙ্গারীপাড়া গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে মো. মাহবুবুর রহমান, বাট্টাজোর ইউনিয়নের পলাশতলা গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন ও মেরুরচর ইউনিয়নের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. হিটলার মিয়া। ভুয়া শিক্ষক দিয়ে পাবলিক পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে ওই কেন্দ্রের সচিব স্থানীয় চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামকেও আটক করা হয়।

পরে নির্বাহী হাকিম ও ইউএনও দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধসমূহ) আইনে ভুয়া শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান, মো. আলমগীর হোসেন ও মো. হিটলার মিয়াকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। কেন্দ্র পরিচালনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামকে একই আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২২ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তিনি এক লাখ টাকা পরিশোধ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত থেকে মুক্তি পান। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই তিনজন ভুয়া শিক্ষককে জামালপুর জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে।

বকশীগঞ্জের ইউএনও দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বাংলারচিঠি ডটকমকে বলেন, দন্ডপ্রাপ্ত তিনজন ভুয়া শিক্ষক ইঞ্জিনিয়ার অন্তর ইউনুছ রেছেনা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু ওই নামে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নেই। রায়ের পর তাদেরকে জামালপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই কেন্দ্র সচিব জরিমানার টাকা পরিশোধ করায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

বকশীগঞ্জে কেন্দ্র সচিবকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট-জেএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ১ নভেম্বর জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা তিনজন ভুয়া শিক্ষককে আটক করে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই তিন ভুয়া শিক্ষক উপজেলার হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সাথে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ওই কেন্দ্রের সচিব স্থানীয় চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জানা গেছে, উপজেলার বাট্টাজোর ইউনিয়নের হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ নভেম্বর সকালে জেএসসি বাংলা পরীক্ষায় কয়েকজন ভুয়া শিক্ষক কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করছিলেন- এমন অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী হাকিম ও বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ওই পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিযান চালান।

এ সময় তিনজন ভুয়া শিক্ষককে আটক করা হয়। তারা হলেন- উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের টাঙ্গারীপাড়া গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে মো. মাহবুবুর রহমান, বাট্টাজোর ইউনিয়নের পলাশতলা গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন ও মেরুরচর ইউনিয়নের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. হিটলার মিয়া। ভুয়া শিক্ষক দিয়ে পাবলিক পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে ওই কেন্দ্রের সচিব স্থানীয় চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামকেও আটক করা হয়।

পরে নির্বাহী হাকিম ও ইউএনও দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধসমূহ) আইনে ভুয়া শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান, মো. আলমগীর হোসেন ও মো. হিটলার মিয়াকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। কেন্দ্র পরিচালনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামকে একই আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২২ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তিনি এক লাখ টাকা পরিশোধ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত থেকে মুক্তি পান। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই তিনজন ভুয়া শিক্ষককে জামালপুর জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে।

বকশীগঞ্জের ইউএনও দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বাংলারচিঠি ডটকমকে বলেন, দন্ডপ্রাপ্ত তিনজন ভুয়া শিক্ষক ইঞ্জিনিয়ার অন্তর ইউনুছ রেছেনা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু ওই নামে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নেই। রায়ের পর তাদেরকে জামালপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই কেন্দ্র সচিব জরিমানার টাকা পরিশোধ করায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।