ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তিন শতাধিক তালবীজ রোপণ হৃদয়ের রেকর্ডগড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাংবাদিক লায়নের পিতার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান ৭৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই এনজিও

হোটেল কর্মচারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজীব মিয়া গ্রেপ্তার

হোটেল কর্মচারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজীব মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

হোটেল কর্মচারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজীব মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় হাত-পা বেঁধে লিটন মিয়া নামে এক হোটেল কর্মচারীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগে প্রধান আসামি সজীব মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২১ আগস্ট রাতে পৌরসভার তাড়িয়াপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ সজীব মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। ২২ আগস্ট দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা লিলুফা বেগম বাদী হয়ে সজীবকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, সরিষাবাড়ী পৌরসভার তারিয়াপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে লিটন মিয়া (২৫)। স্থানীয় শিমলা বাজার বাসটার্মিনালে করম আলীর হোটেলে কর্মচারির কাজ করে আসছিলেন লিটন মিয়া। ২০ আগস্ট হোটেলের কাজ শেষে রাতে বাড়ি চলে আসেন লিটন। পরদিন ২১ আগস্ট সকালে কাজে না আসায় হোটেলের মালিক করম আলী ডাকতে যায় লিটনের বাড়িতে। এ সময় তার ঘরের দরজায় গিয়ে ডাকতে থাকেন করম আলী। ডাকের সাড়া না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিলে খুলে যায়। পরে ভেতরে গিয়ে হাত পা বাঁধা ঝুলন্ত লিটনের মরদেহ দেখতে পান। এরপর আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার সময় লিটন মিয়া বাড়িতে একাই ছিল বলে জানা গেছে।

সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মীর রকিবুল হক সাংবাদিকদের জানান, বাসার ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিলের টাকা ও নেশা করাকে কেন্দ্র করে হোটেল কর্মচারী লিটনের সাথে সজীবের বিরোধ ছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সজীবসহ তার ৪/৫ জন বন্ধুকে সাথে নিয়ে লিটনকে হত্যা করার পর বাসায় এনে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় সজিব ও আরিফুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সজিব মিয়া হত্যার সাথে জড়িত প্রমাণ পাওয়ায় গ্রেপ্তার করে ২২ আগস্ট তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সজীব পৌরসভার তাড়িয়াপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে।

আপলোডকারীর তথ্য

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

হোটেল কর্মচারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজীব মিয়া গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অগাস্ট ২০২১
হোটেল কর্মচারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজীব মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় হাত-পা বেঁধে লিটন মিয়া নামে এক হোটেল কর্মচারীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগে প্রধান আসামি সজীব মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২১ আগস্ট রাতে পৌরসভার তাড়িয়াপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ সজীব মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। ২২ আগস্ট দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা লিলুফা বেগম বাদী হয়ে সজীবকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, সরিষাবাড়ী পৌরসভার তারিয়াপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে লিটন মিয়া (২৫)। স্থানীয় শিমলা বাজার বাসটার্মিনালে করম আলীর হোটেলে কর্মচারির কাজ করে আসছিলেন লিটন মিয়া। ২০ আগস্ট হোটেলের কাজ শেষে রাতে বাড়ি চলে আসেন লিটন। পরদিন ২১ আগস্ট সকালে কাজে না আসায় হোটেলের মালিক করম আলী ডাকতে যায় লিটনের বাড়িতে। এ সময় তার ঘরের দরজায় গিয়ে ডাকতে থাকেন করম আলী। ডাকের সাড়া না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিলে খুলে যায়। পরে ভেতরে গিয়ে হাত পা বাঁধা ঝুলন্ত লিটনের মরদেহ দেখতে পান। এরপর আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার সময় লিটন মিয়া বাড়িতে একাই ছিল বলে জানা গেছে।

সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মীর রকিবুল হক সাংবাদিকদের জানান, বাসার ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিলের টাকা ও নেশা করাকে কেন্দ্র করে হোটেল কর্মচারী লিটনের সাথে সজীবের বিরোধ ছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সজীবসহ তার ৪/৫ জন বন্ধুকে সাথে নিয়ে লিটনকে হত্যা করার পর বাসায় এনে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় সজিব ও আরিফুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সজিব মিয়া হত্যার সাথে জড়িত প্রমাণ পাওয়ায় গ্রেপ্তার করে ২২ আগস্ট তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সজীব পৌরসভার তাড়িয়াপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে।