ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

সংক্রামণ ৫ শতাংশের নীচে নামলে খুলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : শিক্ষামন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচে নামলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। অন্যথায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ঠিক হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

২৯ মে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে জনতার প্রত্যাশা ও নাগরিক সমাজের আয়োজনে প্রয়াত সাবেক আইনমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর স্মরণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। আইবিএম এর নেতৃবৃন্দ ও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটিসহ অন্যান্যরা সংক্রামণের উল্লেখিত এই হারের বিষয়ে নানা সুপারিশ করেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় নানা আন্দোলনের কথা বলা হচ্ছে। দেশে যে বৃহত্তর ছাত্রসমাজ ও অভিভাবক সমাজ আমাদের আছে তাদের এই আন্দোলন প্রতিফলিত করে না। কারণ, আমার কাছে যে পরিমাণ মেসেজ আছে তাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথাই বেশি এসেছে। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়কে কোন আন্দোলনের মধ্যেই অবহেলা করা উচিত নয়। সুতরাং পরবর্তীতে এসব আন্দোলনকে গুরুত্ব না দিয়ে পরিস্থিতির বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে।

তিনি বলেন,‘আমরা যে তারিখই নির্দিষ্ট করে রাখি না কেনো, সেই সময়ে যদি অবস্থা অনুকূলে না আসে আমরা নিশ্চয়ই মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোন ঝুঁকি নেবো না। শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।’

‘দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু শিক্ষা কার্যক্রমতো থেমে নেই-এ কথা উল্লেখ করে দীপু মনি আরও বলেন, অনলাইনে পড়াশোনা চলছে, এবং প্রায় প্রতিদিনই এই মাধ্যমে পড়াশোনার মান ও পরিসর বাড়ছে।

তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও শিক্ষা নিয়ে নানা সীমাবদ্ধতা আছে। কারিগরিভাবে বা প্রযুক্তিগতভাবে যেসব উন্নত দেশ রয়েছে তাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে। তারাও সব শিক্ষার্থীর কাছে শতভাগ পৌঁছাতে পারছেন না। যেখানে শ্রেণিকক্ষগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই কম এবং যেখানে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ রক্ষা করা হয়েছে, সেখানেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে রাখতে পারেনি। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে আবার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

তেমনি আমাদের দেশে যেখানে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি, সেখানে নানানভাবে চেষ্টা করছি কীভাবে পরিকল্পনা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি আছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যে তারিখই নির্দিষ্ট করে রাখি না কেন, যদি অবস্থা অনুকূলে না আসে তাহলে আমরা মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোন ঝুঁকি নেবো না।

নাগরিক সমাজের সভাপতি ব্যারিস্টার সোহরাব হোসেন খানের সভাপতিত্বে ও জনতার প্রত্যাশার সভাপতি এম এ করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আইনজীবী কামরুল ইসলাম, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আইনজীবী নুরুল আমিন রুহুল, আওয়ামী লীগ নেতা আইনজীবী বলরাম পোদ্দার ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

সংক্রামণ ৫ শতাংশের নীচে নামলে খুলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মে ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচে নামলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। অন্যথায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ঠিক হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

২৯ মে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে জনতার প্রত্যাশা ও নাগরিক সমাজের আয়োজনে প্রয়াত সাবেক আইনমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর স্মরণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। আইবিএম এর নেতৃবৃন্দ ও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটিসহ অন্যান্যরা সংক্রামণের উল্লেখিত এই হারের বিষয়ে নানা সুপারিশ করেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় নানা আন্দোলনের কথা বলা হচ্ছে। দেশে যে বৃহত্তর ছাত্রসমাজ ও অভিভাবক সমাজ আমাদের আছে তাদের এই আন্দোলন প্রতিফলিত করে না। কারণ, আমার কাছে যে পরিমাণ মেসেজ আছে তাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথাই বেশি এসেছে। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়কে কোন আন্দোলনের মধ্যেই অবহেলা করা উচিত নয়। সুতরাং পরবর্তীতে এসব আন্দোলনকে গুরুত্ব না দিয়ে পরিস্থিতির বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে।

তিনি বলেন,‘আমরা যে তারিখই নির্দিষ্ট করে রাখি না কেনো, সেই সময়ে যদি অবস্থা অনুকূলে না আসে আমরা নিশ্চয়ই মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোন ঝুঁকি নেবো না। শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।’

‘দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু শিক্ষা কার্যক্রমতো থেমে নেই-এ কথা উল্লেখ করে দীপু মনি আরও বলেন, অনলাইনে পড়াশোনা চলছে, এবং প্রায় প্রতিদিনই এই মাধ্যমে পড়াশোনার মান ও পরিসর বাড়ছে।

তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও শিক্ষা নিয়ে নানা সীমাবদ্ধতা আছে। কারিগরিভাবে বা প্রযুক্তিগতভাবে যেসব উন্নত দেশ রয়েছে তাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে। তারাও সব শিক্ষার্থীর কাছে শতভাগ পৌঁছাতে পারছেন না। যেখানে শ্রেণিকক্ষগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই কম এবং যেখানে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ রক্ষা করা হয়েছে, সেখানেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে রাখতে পারেনি। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে আবার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

তেমনি আমাদের দেশে যেখানে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি, সেখানে নানানভাবে চেষ্টা করছি কীভাবে পরিকল্পনা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি আছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যে তারিখই নির্দিষ্ট করে রাখি না কেন, যদি অবস্থা অনুকূলে না আসে তাহলে আমরা মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোন ঝুঁকি নেবো না।

নাগরিক সমাজের সভাপতি ব্যারিস্টার সোহরাব হোসেন খানের সভাপতিত্বে ও জনতার প্রত্যাশার সভাপতি এম এ করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আইনজীবী কামরুল ইসলাম, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আইনজীবী নুরুল আমিন রুহুল, আওয়ামী লীগ নেতা আইনজীবী বলরাম পোদ্দার ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা।সূত্র:বাসস।