ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তিন শতাধিক তালবীজ রোপণ হৃদয়ের রেকর্ডগড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাংবাদিক লায়নের পিতার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান ৭৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই এনজিও

যমুনার বাঁধে আশ্রিতরা চায় স্থায়ী বসতভিটা

নদী ভাঙ্গনে ভিটে মাটি হারিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রিত তিন শতাধিক পরিবার স্থায়ী বসতভিটা চায়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নদী ভাঙ্গনে ভিটে মাটি হারিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রিত তিন শতাধিক পরিবার স্থায়ী বসতভিটা চায়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার যমুনার নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ভিটে মাটি হারিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রিতরা স্থায়ী বসতভিটা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন আশ্রিত তিন শতাধিক পরিবার। বাঁধে নলকূপ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংকট নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা এসব ভূমিহীন পরিবার সরকারের নিকট স্থায়ী বসতভিটার দাবি জানান।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গেল বন্যায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি ইউনিয়নের বেড়কুশা ও হরিনধরা গ্রামের যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ভিটে মাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে তিন শতাধিক পরিবার। ভিটে মাটি হারিয়ে এসব পরিবার আশ্রয় নিয়েছে পাথর্শীর মোরাদাবাদ থেকে কুলকান্দি পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে। নলকূপ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়তই পড়তে হচ্ছে নানা সমস্যায়। কারও আবার বসবাস করতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। নিজের ভিটে মাটি হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা। একটু আশ্রয়ের জন্য সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে এসব ভূমিহীন পরিবার।

আশ্রিত রামেছা বেগম বলেন, নদী ভাঙগি বাড়ি ঘর সব শেষ, এখন যাওয়ার জায়গা নাই, সরকার যদিল আমগরে এল্লা ঘর জমি দেয় তাইলে শান্তি পামু। জহুরা বেগম বলেন, নদীর উফরে থাহি, ঘরডাও ভাঙ্গা, হিয়েল বাতাসে থাকপের পাইনে। তাদের মত একাধিক নারী-পুরুষ তাদের স্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থার দাবি জানান।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান বাবু জানান, হরিণধরা, বেড়কুশা গ্রাম ভেঙ্গে ভূমিহীন এসব পরিবারের স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করা খুবই প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম জামাল আব্দুন নাসের জানান, নদীভাঙ্গা, ভ‚মিহীন এসব আশ্রিত পরিবারের জন্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান দুলালের নির্দেশে তাদের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের দাফন-কাফন ও গোরস্থানের জন্য প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে ৬৫ হাজার টাকার চেক তুলে দিয়েছি। যমুনার করাল গ্রাসে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া এসব পরিবার দ্রুতই মাথা গুঁজার ঠাঁই ফিরে পাবে বলে তিনি জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

যমুনার বাঁধে আশ্রিতরা চায় স্থায়ী বসতভিটা

আপডেট সময় ০৫:০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০
নদী ভাঙ্গনে ভিটে মাটি হারিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রিত তিন শতাধিক পরিবার স্থায়ী বসতভিটা চায়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার যমুনার নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ভিটে মাটি হারিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রিতরা স্থায়ী বসতভিটা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন আশ্রিত তিন শতাধিক পরিবার। বাঁধে নলকূপ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংকট নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা এসব ভূমিহীন পরিবার সরকারের নিকট স্থায়ী বসতভিটার দাবি জানান।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গেল বন্যায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি ইউনিয়নের বেড়কুশা ও হরিনধরা গ্রামের যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ভিটে মাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে তিন শতাধিক পরিবার। ভিটে মাটি হারিয়ে এসব পরিবার আশ্রয় নিয়েছে পাথর্শীর মোরাদাবাদ থেকে কুলকান্দি পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে। নলকূপ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়তই পড়তে হচ্ছে নানা সমস্যায়। কারও আবার বসবাস করতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। নিজের ভিটে মাটি হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা। একটু আশ্রয়ের জন্য সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে এসব ভূমিহীন পরিবার।

আশ্রিত রামেছা বেগম বলেন, নদী ভাঙগি বাড়ি ঘর সব শেষ, এখন যাওয়ার জায়গা নাই, সরকার যদিল আমগরে এল্লা ঘর জমি দেয় তাইলে শান্তি পামু। জহুরা বেগম বলেন, নদীর উফরে থাহি, ঘরডাও ভাঙ্গা, হিয়েল বাতাসে থাকপের পাইনে। তাদের মত একাধিক নারী-পুরুষ তাদের স্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থার দাবি জানান।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান বাবু জানান, হরিণধরা, বেড়কুশা গ্রাম ভেঙ্গে ভূমিহীন এসব পরিবারের স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করা খুবই প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম জামাল আব্দুন নাসের জানান, নদীভাঙ্গা, ভ‚মিহীন এসব আশ্রিত পরিবারের জন্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান দুলালের নির্দেশে তাদের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের দাফন-কাফন ও গোরস্থানের জন্য প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে ৬৫ হাজার টাকার চেক তুলে দিয়েছি। যমুনার করাল গ্রাসে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া এসব পরিবার দ্রুতই মাথা গুঁজার ঠাঁই ফিরে পাবে বলে তিনি জানান।