ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের সততা, দক্ষতা ও মানবিকতার সঙ্গে জনগণের সেবা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দালালমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিতের সুপারিশ স্থায়ী কমিটির ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপে ১০০০ ইউপিতে নির্বাচন : ইসি সচিব মাদারগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত মেলান্দহে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪ ইসলামপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত জামালপুরে স্বাস্থ্য পুষ্টি ওয়াস বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু দুশ্চিন্তায় মাদারগঞ্জের কৃষকেরা, হাতবদলেই ১৭ টাকার মরিচ ৫০ টাকা কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

দেওয়ানগঞ্জে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বাড়ি আবাদি জমি

জিঞ্জিরাম নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জিঞ্জিরাম নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বোরহানউদ্দিন, সানন্দবাড়ী প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের দক্ষিণ গোয়ালকান্দা গ্রামে প্রায় দেড় কিলোমিটার নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত ৬ জুন থেকে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। উজানে ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে জিঞ্জিরাম নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। এতে ওই এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও আবাদি জমি ভেঙ্গে যাচ্ছে।

অতি বৃষ্টির কারণে পাহাড়ী ঢলে নেমে আসায় পানির তোরে জিঞ্জিরাম নদীর স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যায়, যার ফলে গত কয়েক দিনে নদী স্রোতের তীব্রতা চরম আকার ধারণ করায় ৫টি পরিবারের বসতভিটাসহ বৈদ্যুতিক খুঁটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় রফিকুজ্জামান মনু বলেন, নদীর ভাঙ্গনে আমির আলী ও জাবের আলী দুটি দরিদ্র পরিবার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

গাছপালা, বাঁশঝাড়সহ অনেক কিছুই নদী গর্ভে চলে যায়। মসজিদসহ শতাধিক বাড়িরঘর নদী ভাঙ্গনের চরম ঝুঁকিতে আছে। ভাঙ্গনকবলিত এলাকার লোকজনকে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ভেঙ্গে স্থানান্তর করতে দেখা যায়, ভাঙ্গন কবলিত গ্রাম পরিদর্শন করেন ডাংধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. মাসুদ ।

চেয়ারম্যান শাহ মো. মাসুদ বলেন, আমি জানতে পেয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি ,তাদের নিরাপত্তা, সাহায্য সহযোগিতা সম্ভব মতো করেছি, এলাকায় সতর্কবার্তা জানিয়ে পাহাড়ার ব্যবস্থা করছি। যদিও স্রোতের গতি কিছুটা কমেছে, তবে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। আমি আমার এলাকাবাসীর পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা রাজিয়া ভাঙ্গন এলাকার খোঁজ খবর নিয়েছেন, উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অবগত আছেন এবং নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের সততা, দক্ষতা ও মানবিকতার সঙ্গে জনগণের সেবা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেওয়ানগঞ্জে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বাড়ি আবাদি জমি

আপডেট সময় ০৪:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০
জিঞ্জিরাম নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বোরহানউদ্দিন, সানন্দবাড়ী প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের দক্ষিণ গোয়ালকান্দা গ্রামে প্রায় দেড় কিলোমিটার নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত ৬ জুন থেকে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। উজানে ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে জিঞ্জিরাম নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। এতে ওই এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও আবাদি জমি ভেঙ্গে যাচ্ছে।

অতি বৃষ্টির কারণে পাহাড়ী ঢলে নেমে আসায় পানির তোরে জিঞ্জিরাম নদীর স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যায়, যার ফলে গত কয়েক দিনে নদী স্রোতের তীব্রতা চরম আকার ধারণ করায় ৫টি পরিবারের বসতভিটাসহ বৈদ্যুতিক খুঁটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় রফিকুজ্জামান মনু বলেন, নদীর ভাঙ্গনে আমির আলী ও জাবের আলী দুটি দরিদ্র পরিবার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

গাছপালা, বাঁশঝাড়সহ অনেক কিছুই নদী গর্ভে চলে যায়। মসজিদসহ শতাধিক বাড়িরঘর নদী ভাঙ্গনের চরম ঝুঁকিতে আছে। ভাঙ্গনকবলিত এলাকার লোকজনকে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ভেঙ্গে স্থানান্তর করতে দেখা যায়, ভাঙ্গন কবলিত গ্রাম পরিদর্শন করেন ডাংধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. মাসুদ ।

চেয়ারম্যান শাহ মো. মাসুদ বলেন, আমি জানতে পেয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি ,তাদের নিরাপত্তা, সাহায্য সহযোগিতা সম্ভব মতো করেছি, এলাকায় সতর্কবার্তা জানিয়ে পাহাড়ার ব্যবস্থা করছি। যদিও স্রোতের গতি কিছুটা কমেছে, তবে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। আমি আমার এলাকাবাসীর পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা রাজিয়া ভাঙ্গন এলাকার খোঁজ খবর নিয়েছেন, উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অবগত আছেন এবং নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন।