ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ দুর্বল হয়ে গভীর স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ দুর্বল হয়ে গভীর স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ফলে বংলাদেশ এখন অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত। একই সাথে সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

৪ মে দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ। ঘূর্ণিঝড় ফণী’র সর্বশেষ অবস্থা জানাতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ফরিদপুর-ঢাকা অঞ্চল এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ফণী আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বংলাদেশ এখন অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। ’

তিনি জানান, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া কয়েক লাখ মানুষের বিপদ কেটে যাওয়ার তাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শ্হা কামাল বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে থাকা ১৬ লাখের বেশি মানুষ বিকাল নাগাদ তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারবে।

ঘূর্ণিঝড় ফণী’র কারণে বরগুনা ২ জন, ভোলা ও নোয়াখালীতে ১ জন করে মোট চারজনের মৃত্যু এবং বিভিন্ন জেলায় ৬৩ জন আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক এনামুর রহমান, সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, প্রধান তথ্য অফিসার জয়নাল আবেদিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক এনামুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখন মোটামুটি ভাবে সঙ্কা মুক্ত। সকলের প্রচেষ্টায় সফল ভাবে ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রস্তুতি ভাল ছিল যে কারনেই আমরা সফল ভাবে এই ঘূণিঝড়কে মোকাবেলা করতে পেরেছি।

নিহতদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দিতে জেলাপ্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর যারা আহত হয়েছেন তাদেরকে মেডিকেল টিমগুলো গিয়ে চিকিৎসা দেবে। এছাড়াও ঝড়ের কারণে যাদের বাড়ি ঘর নষ্ট হয়ে গেছে তাদের প্রত্যেক পরিবারকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ দুর্বল হয়ে গভীর স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে

আপডেট সময় ০৬:১৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ দুর্বল হয়ে গভীর স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ফলে বংলাদেশ এখন অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত। একই সাথে সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

৪ মে দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ। ঘূর্ণিঝড় ফণী’র সর্বশেষ অবস্থা জানাতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ফরিদপুর-ঢাকা অঞ্চল এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ফণী আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বংলাদেশ এখন অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। ’

তিনি জানান, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া কয়েক লাখ মানুষের বিপদ কেটে যাওয়ার তাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শ্হা কামাল বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে থাকা ১৬ লাখের বেশি মানুষ বিকাল নাগাদ তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারবে।

ঘূর্ণিঝড় ফণী’র কারণে বরগুনা ২ জন, ভোলা ও নোয়াখালীতে ১ জন করে মোট চারজনের মৃত্যু এবং বিভিন্ন জেলায় ৬৩ জন আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক এনামুর রহমান, সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, প্রধান তথ্য অফিসার জয়নাল আবেদিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক এনামুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখন মোটামুটি ভাবে সঙ্কা মুক্ত। সকলের প্রচেষ্টায় সফল ভাবে ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রস্তুতি ভাল ছিল যে কারনেই আমরা সফল ভাবে এই ঘূণিঝড়কে মোকাবেলা করতে পেরেছি।

নিহতদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দিতে জেলাপ্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর যারা আহত হয়েছেন তাদেরকে মেডিকেল টিমগুলো গিয়ে চিকিৎসা দেবে। এছাড়াও ঝড়ের কারণে যাদের বাড়ি ঘর নষ্ট হয়ে গেছে তাদের প্রত্যেক পরিবারকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। সূত্র : বাসস