ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামপুর জমে উঠেছে ঈদবাজার

ইসলামপুর : জমে উঠেছে ঈদবাজার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ঈদের আনন্দ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় নতুন পোশাক। দেখতে দেখতে সন্নিকটে ঈদুল ফিতর। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে জামালপুরের ইসলামপুরে পোশাক বাজার।

পরিবারের সবাইকে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে কেনাকাটা করছেন সবাই। নতুন কালেকশনে আকৃষ্ট হচ্ছেন ক্রেতারা। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-বোনাস পাওয়ার পর ঈদবাজার জমে উঠে। কয়েক বছরের তুলনায় বেচাবিক্রি বেশি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

১০ মার্চ, মঙ্গলবার উপজেলার ফুটপাতের দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত বিপনিগুলোতে ভিড় দেখা যায়। প্রতিটি মার্কেটে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে ক্রেতাদের আনাগোনা। আয়ের তুলনায় পণ্যের দাম বেশি থাকায় অনেকেই ছুটছেন ফুটপাতের দোকানগুলোতে। থেমে নেই অভিজাত মার্কেটের দোকানগুলো।

সব বয়সের ক্রেতাদের আনাগোনায় মুখর বিভিন্ন মার্কেটে। সাধ্যের মধ্যে পরিবারের ছোট সদস্য থেকে শুরু করে সবার জন্যই চলছে কেনাকাটা। মানুষের ঠেলাঠেলি এড়াতে দিনের বেলাতেই অনেকে সেরে নিচ্ছেন কেনাকাটা।

তবে এ সময় পুরুষদের তুলনায় থ্রি-পিস, গাউন, লেহেঙ্গা ও বিভিন্ন ফ্যাশনেবল পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় পরিলক্ষিত হয়েছে।

উপজেলার প্রাণকেন্দ্র মমতাজ গার্মেন্টস, আবরনী গার্মেন্টস, ঐশি গার্মেন্টস, মদিনা বস্তু বিপনী, সাব্বির বস্ত্রালয়, অগ্রণী ও লোহানী গার্মেন্টসসহ মার্কেটগুলো ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। তবে অভিজাত মার্কেটের তুলনায় মধ্যম সারির মার্কেট ও ফুটপাতে পণ্যের দাম কম হওয়ায় সেখানে বিক্রি ভালই হচ্ছে বলে জানান দোকানিরা।

ইসলামপুর : জমে উঠেছে ঈদবাজার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ব্যবসায়ী সবুজ খন্দকার বলেন, সুতি কাপড়ের থ্রিু-পিস, জর্জেট, অর্গানজা, জিমুচি ও ফার্সি গাউন এবং ভারতীয় ফার্সি গাউন নামের পোষাকের চাহিদা এবারের ঈদে ব্যাপক। তরুণী ও উঠতি বয়সের নারীদের এই পোশাকের চাহিদা বেশি। ক্রেতারা ভিনদেশি সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবির পাশাপাশি অনেকেই আবার বেছে নিচ্ছেন দেশীয় সুতি পোশাক। গরমের কথা মাথায় রেখে নজর দিচ্ছেন আরামের দিকেও।

এদিকে, গেল বছরগুলোর তুলনায় এবার বেচাবিক্রি বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। চাঁদরাত পর্যন্ত এমন ভিড় থাকবে বলে আশা তাদের।

ইসলামপুর জমে উঠেছে ঈদবাজার

আপডেট সময় ১১:২৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ঈদের আনন্দ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় নতুন পোশাক। দেখতে দেখতে সন্নিকটে ঈদুল ফিতর। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে জামালপুরের ইসলামপুরে পোশাক বাজার।

পরিবারের সবাইকে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে কেনাকাটা করছেন সবাই। নতুন কালেকশনে আকৃষ্ট হচ্ছেন ক্রেতারা। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-বোনাস পাওয়ার পর ঈদবাজার জমে উঠে। কয়েক বছরের তুলনায় বেচাবিক্রি বেশি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

১০ মার্চ, মঙ্গলবার উপজেলার ফুটপাতের দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত বিপনিগুলোতে ভিড় দেখা যায়। প্রতিটি মার্কেটে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে ক্রেতাদের আনাগোনা। আয়ের তুলনায় পণ্যের দাম বেশি থাকায় অনেকেই ছুটছেন ফুটপাতের দোকানগুলোতে। থেমে নেই অভিজাত মার্কেটের দোকানগুলো।

সব বয়সের ক্রেতাদের আনাগোনায় মুখর বিভিন্ন মার্কেটে। সাধ্যের মধ্যে পরিবারের ছোট সদস্য থেকে শুরু করে সবার জন্যই চলছে কেনাকাটা। মানুষের ঠেলাঠেলি এড়াতে দিনের বেলাতেই অনেকে সেরে নিচ্ছেন কেনাকাটা।

তবে এ সময় পুরুষদের তুলনায় থ্রি-পিস, গাউন, লেহেঙ্গা ও বিভিন্ন ফ্যাশনেবল পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় পরিলক্ষিত হয়েছে।

উপজেলার প্রাণকেন্দ্র মমতাজ গার্মেন্টস, আবরনী গার্মেন্টস, ঐশি গার্মেন্টস, মদিনা বস্তু বিপনী, সাব্বির বস্ত্রালয়, অগ্রণী ও লোহানী গার্মেন্টসসহ মার্কেটগুলো ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। তবে অভিজাত মার্কেটের তুলনায় মধ্যম সারির মার্কেট ও ফুটপাতে পণ্যের দাম কম হওয়ায় সেখানে বিক্রি ভালই হচ্ছে বলে জানান দোকানিরা।

ইসলামপুর : জমে উঠেছে ঈদবাজার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ব্যবসায়ী সবুজ খন্দকার বলেন, সুতি কাপড়ের থ্রিু-পিস, জর্জেট, অর্গানজা, জিমুচি ও ফার্সি গাউন এবং ভারতীয় ফার্সি গাউন নামের পোষাকের চাহিদা এবারের ঈদে ব্যাপক। তরুণী ও উঠতি বয়সের নারীদের এই পোশাকের চাহিদা বেশি। ক্রেতারা ভিনদেশি সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবির পাশাপাশি অনেকেই আবার বেছে নিচ্ছেন দেশীয় সুতি পোশাক। গরমের কথা মাথায় রেখে নজর দিচ্ছেন আরামের দিকেও।

এদিকে, গেল বছরগুলোর তুলনায় এবার বেচাবিক্রি বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। চাঁদরাত পর্যন্ত এমন ভিড় থাকবে বলে আশা তাদের।