ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নকলায় দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন, বস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা দিলেন এমপি ফাহিম চৌধুরী নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে ট্রাম্পের সমর্থন পেয়ে উচ্ছ্বসিত নেতানিয়াহু সেলফি দেখে ক্যানসারে বেঁচে থাকার পূর্বাভাস দেবে এআই টুল ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির খুব কাছাকাছি আছে: রুবিও মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির শঙ্কায় রিপাবলিকানদের দুর্গে প্রচারে ট্রাম্প বাণিজ্য কূটনীতির লক্ষ্য নিয়ে ভারতে পৌঁছেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা ইসলামপুর প্রেসক্লাবে ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদকে সংবর্ধনা সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন জনগণকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে বিএনপি : সংসদ সদস্য শামীম তালুকদার

গুড়ের দোকানে জরিমানা

জামালপুর : ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চিনি ও হাইড্রোজ মিশ্রিত ভেজাল গুড়ের সন্ধান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাওহীদ ট্রেডার্স ও ভাই ভাই আড়ৎকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসনের ব্যবসা-বাণিজ্য শাখার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

৭ মার্চ, শনিবার বিকালে জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএমএসআর আলিফ, ইমন হোসেন ও জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন।

৭ মার্চ দুপুর থেকে জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা গো-হাটি বাজারের ভিন্ন ভিন্ন আটটি খাবারের দোকান ও প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল পরীক্ষা ও পরিদর্শন করা হয়। এ সময় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্যে ক্ষতিকর উপদানের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়। পরে তাওহীদ ট্রেডার্স ও ভাই ভাই আড়তে চিনি মিশ্রিত গুড়, ভেজাল হাইড্রোজ, পঁচা নালী ও গুড় বীজ ব্যবহারের কারণে প্রতি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

জামালপুর : চিনি ও হাইড্রোজ মিশ্রিত ভেজাল গুড়ের কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অভিযান শেষে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ এ প্রতিবেদককে বলেন, হাইড্রোজ একটি শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক। যা খাদ্যে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মুড়ি, চিড়া, নুডলস বা আটা সাদা ও আকর্ষণীয় দেখাতে এটি ব্যবহার করেন। এই রাসায়নিক মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং ধীরে ধীরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। নিয়মিত গ্রহণ করলে শ্বাসকষ্ট, পাকস্থলীর সমস্যা, মাথা ঘোরা এবং এলার্জির ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি লিভার ও কিডনির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী খাদ্যে এমন ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে আজকের অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়। বরং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। আমরা ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও ভেজালমুক্ত খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রির আহ্বান জানাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নকলায় দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন, বস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা দিলেন এমপি ফাহিম চৌধুরী

গুড়ের দোকানে জরিমানা

আপডেট সময় ১০:৪৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

জামালপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাওহীদ ট্রেডার্স ও ভাই ভাই আড়ৎকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসনের ব্যবসা-বাণিজ্য শাখার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

৭ মার্চ, শনিবার বিকালে জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএমএসআর আলিফ, ইমন হোসেন ও জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন।

৭ মার্চ দুপুর থেকে জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা গো-হাটি বাজারের ভিন্ন ভিন্ন আটটি খাবারের দোকান ও প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল পরীক্ষা ও পরিদর্শন করা হয়। এ সময় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্যে ক্ষতিকর উপদানের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়। পরে তাওহীদ ট্রেডার্স ও ভাই ভাই আড়তে চিনি মিশ্রিত গুড়, ভেজাল হাইড্রোজ, পঁচা নালী ও গুড় বীজ ব্যবহারের কারণে প্রতি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

জামালপুর : চিনি ও হাইড্রোজ মিশ্রিত ভেজাল গুড়ের কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

অভিযান শেষে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ এ প্রতিবেদককে বলেন, হাইড্রোজ একটি শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক। যা খাদ্যে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মুড়ি, চিড়া, নুডলস বা আটা সাদা ও আকর্ষণীয় দেখাতে এটি ব্যবহার করেন। এই রাসায়নিক মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং ধীরে ধীরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। নিয়মিত গ্রহণ করলে শ্বাসকষ্ট, পাকস্থলীর সমস্যা, মাথা ঘোরা এবং এলার্জির ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি লিভার ও কিডনির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী খাদ্যে এমন ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে আজকের অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়। বরং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। আমরা ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও ভেজালমুক্ত খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রির আহ্বান জানাচ্ছি।