ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার মানোন্নয়নে ছাড় নয়, কঠোর অবস্থানে সরকার : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী জামালপুরে হস্তশিল্পের সম্ভাবনায় প্রশিক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু ইউপি নির্বাচন : বকশীগঞ্জে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জলাশয় খাসপুকুরে ৩০৭ কেজি পোনা অবমুক্ত জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নারী এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ৩ মাসের কারাদণ্ড শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলায় পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান

শেরপুরে ৩ লাখ ৮৩ হাজার শিশু পাবে বিনামূল্যের টাইফয়েড টিকা

শেরপুর : টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

টাইফয়েড জ্বরের প্রাদুর্ভাব রোধে আজ ১২ অক্টোবর রবিবার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এর আওতায় দেশব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ১২ অক্টোবর, রবিবার শেরপুরের ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান।

শেরপুর সিভিল সার্জন অফিস ও শেরপুর পৌরসভার আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ শাহিন। এতে বক্তব্য রাখেন শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ শাহিন জানান, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ১৫ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীকে তাদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিদ্যমান ইপিআইয়ের স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, জেলার এক হাজার ৬৮০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং এক হাজার ৩৫০ অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শেরপুর জেলায় টাইফয়েড টিকার মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তিন লাখ ৮৩ হাজার ১৯৪ জন শিশু। শেরপুর জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৮ শতাংশ নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই লাখ ৪২ হাজার ৬৩৪ জন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে এক লাখ ৪০ হাজার ৭৫৬ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ শাহিন আরও বলেন, টাইফয়েড জ্বর একটি প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক রোগ। শিশুদের সুরক্ষায় সরকার বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১২ অক্টোবর থেকে আগামী ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৮ কার্য দিবসে নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শেরপুরে ৩ লাখ ৮৩ হাজার শিশু পাবে বিনামূল্যের টাইফয়েড টিকা

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

টাইফয়েড জ্বরের প্রাদুর্ভাব রোধে আজ ১২ অক্টোবর রবিবার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এর আওতায় দেশব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ১২ অক্টোবর, রবিবার শেরপুরের ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান।

শেরপুর সিভিল সার্জন অফিস ও শেরপুর পৌরসভার আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ শাহিন। এতে বক্তব্য রাখেন শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ শাহিন জানান, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ১৫ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীকে তাদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিদ্যমান ইপিআইয়ের স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, জেলার এক হাজার ৬৮০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং এক হাজার ৩৫০ অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শেরপুর জেলায় টাইফয়েড টিকার মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তিন লাখ ৮৩ হাজার ১৯৪ জন শিশু। শেরপুর জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৮ শতাংশ নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই লাখ ৪২ হাজার ৬৩৪ জন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে এক লাখ ৪০ হাজার ৭৫৬ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ শাহিন আরও বলেন, টাইফয়েড জ্বর একটি প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক রোগ। শিশুদের সুরক্ষায় সরকার বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১২ অক্টোবর থেকে আগামী ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৮ কার্য দিবসে নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।