ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মানুষের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া আবশ্যক : রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যে বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান পর্যটন মন্ত্রীর মাদারগঞ্জে ২২ জনকে প্রায় ৯ লাখ টাকার ঋণ সহায়তা প্রদান কমরেড মনজুরুল খানের ৮১তম জন্মদিনে বিনামূল্যে চক্ষুচিকিৎসা সেবা নকলায় ভারতীয় ৩৭ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ তরুণী আটক মাদারগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ১২ দফা দাবিতে জামালপুরে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের স্মারকলিপি পেশ ইসলামপুরে পাঁচ দোকান ভস্মীভূত, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি

হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে লেবানন সরকারের সঙ্গে মার্কিন দূতের আলোচনা

লেবাননের শিয়া ইসলামপন্থী সংগঠন হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক উপ-বিশেষ দূত মরগান ওর্টাগাস।

৬ এপ্রিল রবিবার লেবাননের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার বৈরুতে দেশটির রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করেন ওর্টাগাস। তবে নিরস্ত্রকরণের জন্য কোনো সময়সীমা বেঁধে দেননি।

বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) জানিয়েছে, ওর্টাগাস ৬ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী ইয়াসিন জাবের, অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী আমের বিসাত ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর করিম সৌয়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

গণমাধ্যমকে ব্রিফ করার অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লেবাননের এক কর্মকর্তা বলেন, ওর্টাগাস হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ভেঙে ফেলতে লেবাননের সেনাবাহিনীর কাজ জোরদার ও কাজের গতি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তবে কোনো সময়সীমা বেঁধে দেননি। হিজবুল্লাহর অস্ত্র রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখতে বলেছেন।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরাইল যখন লেবাননে ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন ওর্টাগাস দ্বিতীয়বারের মতো দেশটিতে সফরে গেলেন।

সফরকালে ওর্টাগাস কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম শনিবার তার সঙ্গে আলোচনাকে ইতিবাচক বলে বর্ণনা করেছেন।

তারা বলেছেন, ওর্টাগাসের সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির ভিত্তি তৈরি করতে গত ২৭ নভেম্বর জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে দেশটির সেনাবাহিনী ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীরাই স্বশস্ত্র থাকতে পারবে। সেখানে সব ধরনের বেসরকারি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে লেবাননের নতুন কর্তৃপক্ষ বৈরুতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে যাত্রী ও ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োগ করছে।

লেবাননের একটি নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে জানায়, ইরান থেকে হিজবুল্লাহর কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে ইসরাইল বৈরুত বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে-এমন সতর্কবার্তা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ফেব্রুয়ারি থেকে লেবানন ও ইরানের মধ্যে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে লেবানন সরকারের সঙ্গে মার্কিন দূতের আলোচনা

আপডেট সময় ০৯:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

লেবাননের শিয়া ইসলামপন্থী সংগঠন হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক উপ-বিশেষ দূত মরগান ওর্টাগাস।

৬ এপ্রিল রবিবার লেবাননের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার বৈরুতে দেশটির রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করেন ওর্টাগাস। তবে নিরস্ত্রকরণের জন্য কোনো সময়সীমা বেঁধে দেননি।

বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) জানিয়েছে, ওর্টাগাস ৬ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী ইয়াসিন জাবের, অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী আমের বিসাত ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর করিম সৌয়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

গণমাধ্যমকে ব্রিফ করার অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লেবাননের এক কর্মকর্তা বলেন, ওর্টাগাস হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ভেঙে ফেলতে লেবাননের সেনাবাহিনীর কাজ জোরদার ও কাজের গতি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তবে কোনো সময়সীমা বেঁধে দেননি। হিজবুল্লাহর অস্ত্র রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখতে বলেছেন।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরাইল যখন লেবাননে ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন ওর্টাগাস দ্বিতীয়বারের মতো দেশটিতে সফরে গেলেন।

সফরকালে ওর্টাগাস কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম শনিবার তার সঙ্গে আলোচনাকে ইতিবাচক বলে বর্ণনা করেছেন।

তারা বলেছেন, ওর্টাগাসের সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির ভিত্তি তৈরি করতে গত ২৭ নভেম্বর জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে দেশটির সেনাবাহিনী ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীরাই স্বশস্ত্র থাকতে পারবে। সেখানে সব ধরনের বেসরকারি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে লেবাননের নতুন কর্তৃপক্ষ বৈরুতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে যাত্রী ও ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োগ করছে।

লেবাননের একটি নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে জানায়, ইরান থেকে হিজবুল্লাহর কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে ইসরাইল বৈরুত বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে-এমন সতর্কবার্তা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ফেব্রুয়ারি থেকে লেবানন ও ইরানের মধ্যে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।