ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী চরযথার্থপুর দাখিল মাদরাসার দপ্তরীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাদারগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ গরু, দগ্ধ আরও দুটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহত ১৬, নিখোঁজ ৫ : কর্মকর্তাগণ

ইন্দোনেশিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় জাভা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে কমপক্ষে ১৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। দুর্যোগটিতে অপর পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও দুর্যোগ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার জাকার্তা থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

জাভার মধ্যাঞ্চলীয় পেকালোঙ্গান নগরীর পুলিশ প্রধান দোনি প্রাকোসো স্থানীয় টিভি চ্যানেল মেট্রো টিভিকে বলেন, ১৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতাল ও নিকটস্থ কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০ জানুয়ারি সোমবার ওই এলাকায় ভূমিধস ঘটে এবং উদ্ধারকর্মীরা এখনও কমপক্ষে পাঁচজন নিখোঁজকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

দোনি বলেন, ‘পেকালোঙ্গানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ বেশি ছিল এবং পাহাড়ি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে, ঘন কাদায় ঢাকা রাস্তা দিয়ে স্বেচ্ছাসেবকরা একটি স্ট্রেচারে করে ভূমিধস থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার করছেন।

সেন্ট্রাল জাভা দুর্যোগ সংস্থার কর্মকর্তা বার্গাস কাতুরসাসি পেনাংগুনগান বলেন, এলাকায় পৌঁছাতে অসুবিধার কারণে অনুসন্ধান প্রচেষ্টা বিলম্বিত হয়েছে।

তিনি সম্প্রচারক কম্পাস টিভিকে বলেন, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও উদ্ধারকর্মীদের সাথে অনুসন্ধান প্রচেষ্টায় যোগ দিয়েছেন।

বর্ষাকালে সাধারণত ইন্দোনেশিয়ায় নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট কিছু দুর্যোগ সেই মৌসুমের বাইরেও ঘটেছে।

নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটে।

মে মাসে, পশ্চিম সুমাত্রায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ৬৭ জন মারা যান। মাউন্ট মারাপির অগ্নুৎপাত থেকে ছাই, বালি ও নুড়িপাথরের মিশ্রণ আবাসিক এলাকাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহত ১৬, নিখোঁজ ৫ : কর্মকর্তাগণ

আপডেট সময় ০৯:২২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

ইন্দোনেশিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় জাভা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে কমপক্ষে ১৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। দুর্যোগটিতে অপর পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও দুর্যোগ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার জাকার্তা থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

জাভার মধ্যাঞ্চলীয় পেকালোঙ্গান নগরীর পুলিশ প্রধান দোনি প্রাকোসো স্থানীয় টিভি চ্যানেল মেট্রো টিভিকে বলেন, ১৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতাল ও নিকটস্থ কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০ জানুয়ারি সোমবার ওই এলাকায় ভূমিধস ঘটে এবং উদ্ধারকর্মীরা এখনও কমপক্ষে পাঁচজন নিখোঁজকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

দোনি বলেন, ‘পেকালোঙ্গানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ বেশি ছিল এবং পাহাড়ি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে, ঘন কাদায় ঢাকা রাস্তা দিয়ে স্বেচ্ছাসেবকরা একটি স্ট্রেচারে করে ভূমিধস থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার করছেন।

সেন্ট্রাল জাভা দুর্যোগ সংস্থার কর্মকর্তা বার্গাস কাতুরসাসি পেনাংগুনগান বলেন, এলাকায় পৌঁছাতে অসুবিধার কারণে অনুসন্ধান প্রচেষ্টা বিলম্বিত হয়েছে।

তিনি সম্প্রচারক কম্পাস টিভিকে বলেন, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও উদ্ধারকর্মীদের সাথে অনুসন্ধান প্রচেষ্টায় যোগ দিয়েছেন।

বর্ষাকালে সাধারণত ইন্দোনেশিয়ায় নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট কিছু দুর্যোগ সেই মৌসুমের বাইরেও ঘটেছে।

নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটে।

মে মাসে, পশ্চিম সুমাত্রায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ৬৭ জন মারা যান। মাউন্ট মারাপির অগ্নুৎপাত থেকে ছাই, বালি ও নুড়িপাথরের মিশ্রণ আবাসিক এলাকাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।