ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করলে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না : ওয়ারেছ আলী মামুন জামালপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শুভ উদ্বোধন মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ান আহত, সাব-জোনাল অফিস ঘেরাও-ভাঙচুর শেরপুর যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জামালপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল শেরপুরে কালোবাজারে সার বিক্রির মামলায় ১৫ সার ডিলার জেল হাজতে বকশীগঞ্জে এবার জনতার হাতে ২৫ বস্তা সারবাহী অটোরিকশা আটক ‘ধানের শীষে ভোট চাইছি, মাফ চাই’ পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার বকশীগঞ্জে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল

কোটাপ্রথা সংস্কারের দাবিতে আশেক মাহমুদ কলেজে মানববন্ধন, বিক্ষোভ

কোটাপ্রথার যৌক্তিক সংস্কার চায় সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

কোটাপ্রথার যৌক্তিক সংস্কার চায় সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

সকল গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাপ্রথার যৌক্তিক সংস্কার ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের শিক্ষার্থীরা। ৮ জুলাই সোমবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

জানা গেছে, কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মাহবুবুল হাসান বিবেক, স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সানাউল্লাহ ও মোহাম্মদ শাকিল হাসান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফিরোজ রহমান হীরা, গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম খলিল, বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তালহা, সা’আদ আহমেদ রাজু ও চাকরি প্রত্যাশী মীর ইসহাক হাসান ইখলাস প্রমুখ।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১৮ সালে আমরা যে কোটাপ্রথার বিরুদ্ধে সারাদেশে এক যৌক্তিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলাম তাতে আমাদের দাবি ছিল কোটা সংস্কার করা, বাতিল নয়। সরকার সেটি না করে কোটা বাতিল করে দিয়েছিল। ২০১৮ সালের সেই পরিপত্র এখন বাতিল করেছে হাইকোর্ট। আমরা দিনরাত পরিশ্রম করে মেধা অর্জন করে চাকরির পরীক্ষা দেই। কিন্তু এতো বেশি কোটার কারণে আমরা চাকরি পাই না। লেখাপড়া করে চাকরি না পেয়ে আমরা অনেকেই শেষ পর্যন্ত দিশেহারা হয়ে পড়ছি। আমাদের দাবি একটাই আমরা এই কোটাপ্রথার সঠিক সংস্কার চাই।

তারা আরও জানান, সরকার যদি এ দাবি মেনে না নেয় তাহলে তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন। রেলপথ, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে সারাদেশ অচল করে দেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করলে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না : ওয়ারেছ আলী মামুন

কোটাপ্রথা সংস্কারের দাবিতে আশেক মাহমুদ কলেজে মানববন্ধন, বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৬:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪
কোটাপ্রথার যৌক্তিক সংস্কার চায় সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

সকল গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাপ্রথার যৌক্তিক সংস্কার ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের শিক্ষার্থীরা। ৮ জুলাই সোমবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

জানা গেছে, কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মাহবুবুল হাসান বিবেক, স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সানাউল্লাহ ও মোহাম্মদ শাকিল হাসান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফিরোজ রহমান হীরা, গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম খলিল, বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তালহা, সা’আদ আহমেদ রাজু ও চাকরি প্রত্যাশী মীর ইসহাক হাসান ইখলাস প্রমুখ।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১৮ সালে আমরা যে কোটাপ্রথার বিরুদ্ধে সারাদেশে এক যৌক্তিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলাম তাতে আমাদের দাবি ছিল কোটা সংস্কার করা, বাতিল নয়। সরকার সেটি না করে কোটা বাতিল করে দিয়েছিল। ২০১৮ সালের সেই পরিপত্র এখন বাতিল করেছে হাইকোর্ট। আমরা দিনরাত পরিশ্রম করে মেধা অর্জন করে চাকরির পরীক্ষা দেই। কিন্তু এতো বেশি কোটার কারণে আমরা চাকরি পাই না। লেখাপড়া করে চাকরি না পেয়ে আমরা অনেকেই শেষ পর্যন্ত দিশেহারা হয়ে পড়ছি। আমাদের দাবি একটাই আমরা এই কোটাপ্রথার সঠিক সংস্কার চাই।

তারা আরও জানান, সরকার যদি এ দাবি মেনে না নেয় তাহলে তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন। রেলপথ, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে সারাদেশ অচল করে দেওয়া হবে।