ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ যুবদলনেতা সোহেল রানা খানের উদ্যােগে খাল পরিষ্কার অভিযান শুরু পলাশতলায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির খাদ্য সহায়তা দেওয়ানগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হলেন জেলায় শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

জামালপুর-৫ আসনের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সেনাবাহিনী চান স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন এ আসনে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগনেতা মো. রেজাউল করিম। একই সাথে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন এবং জামালপুর সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান। ৩০ ডিসেম্বর দুপুরে তমালতলাস্থ সাবেক জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) মো. রেজাউল করিম লিখিত বক্তব্যে বলেন, জামালপুর সদর আসনে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্যসচিব মো. আবুল কালাম আজাদ ও তার কর্মী-সমর্থকরা পদে পদে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আসছেন। এ আসনের বিভিন্ন স্থানে আমার ঈগল প্রতীকের প্রচারকেন্দ্রে হামলা, ভাংচুর, কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাংচুরসহ বিভিন্নভাবে তারা নির্বাচনি আচরণ বিধিকে তোয়াক্কাই করছেন না। এ নিয়ে আমি চারবার রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ করেছি। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম আরও বলেন, এ আসনে নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারে এসে আমার কর্মী সমর্থক ও ভোটার সাধারণ মানুষদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, কয়েকজন সাবেক সরকারি আমলা ও বহিরাগত ব্যক্তিরা। মূলত তারা নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার পাশাপাশি ঈগল প্রতীকের কর্মী-সমর্থক-ভোটাররা যাতে ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে না যায়, সেই পরিবেশ তৈরি করছে। এ আসনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের জন্য ১৬৭টি কেন্দ্রেই সেনা মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষ নির্বাচনি মাঠ তৈরিতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্বাচন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকদের সাথে পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে জামালপুর সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলের জামালপুরে কর্মরত সাংবাদিকরা এই সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জামালপুর-৫ আসনের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সেনাবাহিনী চান স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম

আপডেট সময় ১১:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন এ আসনে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগনেতা মো. রেজাউল করিম। একই সাথে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন এবং জামালপুর সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান। ৩০ ডিসেম্বর দুপুরে তমালতলাস্থ সাবেক জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) মো. রেজাউল করিম লিখিত বক্তব্যে বলেন, জামালপুর সদর আসনে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্যসচিব মো. আবুল কালাম আজাদ ও তার কর্মী-সমর্থকরা পদে পদে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আসছেন। এ আসনের বিভিন্ন স্থানে আমার ঈগল প্রতীকের প্রচারকেন্দ্রে হামলা, ভাংচুর, কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাংচুরসহ বিভিন্নভাবে তারা নির্বাচনি আচরণ বিধিকে তোয়াক্কাই করছেন না। এ নিয়ে আমি চারবার রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ করেছি। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম আরও বলেন, এ আসনে নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারে এসে আমার কর্মী সমর্থক ও ভোটার সাধারণ মানুষদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, কয়েকজন সাবেক সরকারি আমলা ও বহিরাগত ব্যক্তিরা। মূলত তারা নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার পাশাপাশি ঈগল প্রতীকের কর্মী-সমর্থক-ভোটাররা যাতে ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে না যায়, সেই পরিবেশ তৈরি করছে। এ আসনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের জন্য ১৬৭টি কেন্দ্রেই সেনা মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষ নির্বাচনি মাঠ তৈরিতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্বাচন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকদের সাথে পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে জামালপুর সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলের জামালপুরে কর্মরত সাংবাদিকরা এই সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।