ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বকশীগঞ্জে গাছের সঙ্গে ঝুলে থাকা যুবকের মরদেহ উদ্ধার

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের বকশীগঞ্জে মান্না মিয়া (১৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

৩০ জুলাই সকাল ১০টায় বগারচর ইউনিয়নের ঘাসির পাড়া মন্ডল বাড়ী গ্রামে ওই যুবকের নিজ বাড়ির পাশের একটি গাছের সঙ্গে ঝুলে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মান্না মিয়া ঘাসির পাড়া মন্ডল বাড়ী এলাকার কৃষক আছলাম মিয়ার ছেলে।

মান্নার বড় ভাই আমির হোসেন জানান, ২৯ জুলাই রাত ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় মান্না মিয়া। রাত ১২টার দিকে তার বাবা আছলাম মিয়া মান্নাকে তার বিছানায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে আবার ঘুমিয়ে যান।

ভোরে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোতালেব হোসেন নামাজ পড়তে গিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে গ্রামবাসী বকশীগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেয়।

খবর পেয়ে দেওয়ানগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কান্তি চৌধুরী ও বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

তবে ঘটনাটি রহস্যজনক মনে হয়েছে অনেকের কাছে। কারণ মান্না মিয়ার গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া হলেও তার পা দুটি ছিলো মাটিতে লাগানো। মান্নার পায়ের আঙুল থেকে রক্ত ঝরছিল।

মান্নার ভাই আমির হোসেন জানান, তিনদিন আগে তাদের প্রতিবেশি সোনা মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে মান্না মিয়ার ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে শফিকুল ইসলাম মান্না মিয়াকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। এর তিনদিন পর গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

বকশীগঞ্জ থানার ওসি মো. সোহেল রানা জানান, মরদেহটি উদ্ধারের জামালপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। কিভাবে এই মৃত্যু হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী

বকশীগঞ্জে গাছের সঙ্গে ঝুলে থাকা যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৮:৫১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের বকশীগঞ্জে মান্না মিয়া (১৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

৩০ জুলাই সকাল ১০টায় বগারচর ইউনিয়নের ঘাসির পাড়া মন্ডল বাড়ী গ্রামে ওই যুবকের নিজ বাড়ির পাশের একটি গাছের সঙ্গে ঝুলে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মান্না মিয়া ঘাসির পাড়া মন্ডল বাড়ী এলাকার কৃষক আছলাম মিয়ার ছেলে।

মান্নার বড় ভাই আমির হোসেন জানান, ২৯ জুলাই রাত ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় মান্না মিয়া। রাত ১২টার দিকে তার বাবা আছলাম মিয়া মান্নাকে তার বিছানায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে আবার ঘুমিয়ে যান।

ভোরে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোতালেব হোসেন নামাজ পড়তে গিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে গ্রামবাসী বকশীগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেয়।

খবর পেয়ে দেওয়ানগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কান্তি চৌধুরী ও বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

তবে ঘটনাটি রহস্যজনক মনে হয়েছে অনেকের কাছে। কারণ মান্না মিয়ার গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া হলেও তার পা দুটি ছিলো মাটিতে লাগানো। মান্নার পায়ের আঙুল থেকে রক্ত ঝরছিল।

মান্নার ভাই আমির হোসেন জানান, তিনদিন আগে তাদের প্রতিবেশি সোনা মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে মান্না মিয়ার ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে শফিকুল ইসলাম মান্না মিয়াকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। এর তিনদিন পর গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

বকশীগঞ্জ থানার ওসি মো. সোহেল রানা জানান, মরদেহটি উদ্ধারের জামালপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। কিভাবে এই মৃত্যু হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।