ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বকশীগঞ্জে মাদকাসক্তকে ৬ মাসের কারাদণ্ড জামালপুরে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান, বৃক্ষমেলা শুরু জুলাই শহিদদদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জে হামলা : প্রতিবাদে জামালপুরে এনসিপির মশাল মিছিল প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বকশীগঞ্জে রিং জাল জব্দের পর পুড়িয়ে ধ্বংস মুরাদ হাসানকে আদালতে হাজির হতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি উন্নয়ন কাজে অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হবে : গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

মেলান্দহে ঝড়ে নিহতের পরিবার ও আহতরা পেল প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা

নিহত সুজন মিয়ার পরিবারের পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিহত সুজন মিয়ার পরিবারের পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত সুজন মিয়ার পরিবার ও আহত ফরিদ মিয়ার পরিবারের মাঝে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ১৭ মে উপজেলার দুরমুট ইউনিয়নের আমবাড়িয়া এলাকায় নিহতদের বাড়ি গিয়ে উপজেলা প্রশাসন এসব আর্থিক অনুদান প্রদান করে।

জেলা প্রশাসকের পক্ষে আর্থিক অনুদান পৌঁছে দেন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম মিঞা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক।

আমবাড়িয়া গ্রামের সোজা খানের ছেলে নিহত সুজন মিয়ার পরিবারকে ২০ হাজার ও আহত একই এলাকার অমিজ উদ্দিনের ছেলে ফরিদ মিয়াকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। নিহত সুজন মিয়ার পরিবারের পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার ও ফরিদ মিয়ার পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন তার স্ত্রী খালেদা বেগম।

জানা গেছে, ১৬ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে প্রায় ১৫ জন লোক সুজন মিয়ার দোকানে আশ্রয় নেয়। বাজারে থাকা একটি পুরাতন বটগাছ সুজন মিয়ার দোকানের উপর পড়লে ১৫ জন আহত ও সুজন মিয়া গাছের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে মেলান্দহ ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে চার ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে নিহত সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ১৭ মে দুপুরে আমবাড়িয়া ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে সুজনের লাশ দাফন করা হয়। অপরদিকে আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত ফরিদ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সেলিম মিঞা বলেন, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক নিহতের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক অনুদান মোট ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের পরিবারের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে মাদকাসক্তকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

মেলান্দহে ঝড়ে নিহতের পরিবার ও আহতরা পেল প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা

আপডেট সময় ১০:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩
নিহত সুজন মিয়ার পরিবারের পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত সুজন মিয়ার পরিবার ও আহত ফরিদ মিয়ার পরিবারের মাঝে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ১৭ মে উপজেলার দুরমুট ইউনিয়নের আমবাড়িয়া এলাকায় নিহতদের বাড়ি গিয়ে উপজেলা প্রশাসন এসব আর্থিক অনুদান প্রদান করে।

জেলা প্রশাসকের পক্ষে আর্থিক অনুদান পৌঁছে দেন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম মিঞা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক।

আমবাড়িয়া গ্রামের সোজা খানের ছেলে নিহত সুজন মিয়ার পরিবারকে ২০ হাজার ও আহত একই এলাকার অমিজ উদ্দিনের ছেলে ফরিদ মিয়াকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। নিহত সুজন মিয়ার পরিবারের পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার ও ফরিদ মিয়ার পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন তার স্ত্রী খালেদা বেগম।

জানা গেছে, ১৬ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে প্রায় ১৫ জন লোক সুজন মিয়ার দোকানে আশ্রয় নেয়। বাজারে থাকা একটি পুরাতন বটগাছ সুজন মিয়ার দোকানের উপর পড়লে ১৫ জন আহত ও সুজন মিয়া গাছের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে মেলান্দহ ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে চার ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে নিহত সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ১৭ মে দুপুরে আমবাড়িয়া ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে সুজনের লাশ দাফন করা হয়। অপরদিকে আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত ফরিদ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সেলিম মিঞা বলেন, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক নিহতের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক অনুদান মোট ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের পরিবারের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।