ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে বজ্রপাতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার জামালপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট একটি সফল আয়োজন : কিছু পর্যালোচনা জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা

মক্তবের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মক্তবের হুজুরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

মক্তবের সাত বছর বয়সের এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মামলাটির একমাত্র আসামি মসজিদের ইমাম ও মক্তবের হুজুর হাফেজ মো. সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১৫ মার্চ দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা জজ এম আলী আহমেদ মামলাটির এ রায় দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দণ্ড পাওয়া আসামি হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. সাহাব ওরফে ছাহার আলীর ছেলে। স্থানীয় মোহাম্মদপুর পূর্বপাড়ায় ভুক্তভোগী শিশুটির দাদা মো. সাইফুল ইসলামের বাড়িতে থেকে মোহাম্মদ পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ইমামতি করতেন। প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ওই মসজিদের মক্তবে স্থানীয় শিশুদের আরবি পড়াতেন তিনি। ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর ভোরে মক্তবে কায়দা পড়ে যথারীতি অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে বাড়িতে চলে যায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটি।

এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৮টার দিকে হাফেজ সাইফুল ওই শিশুদের বাড়িতে গিয়ে ঘর পরিষ্কার করার কথা বলে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। ওইদিন কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে হাফেজ সাইফুল শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। রক্তাক্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। ওই ঘটনার পাঁচদিন পর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় হাফেজ সাইফুলকে আসামি করে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির পুলিশি তদন্ত শেষে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দিতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৫ মার্চ দুপুরে বিচারক উল্লিখিত রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আসামি হাফেজ সাইফুলকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি মো. আকরাম হোসেন এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. আব্দুল্লাহ।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

মক্তবের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মক্তবের হুজুরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

মক্তবের সাত বছর বয়সের এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মামলাটির একমাত্র আসামি মসজিদের ইমাম ও মক্তবের হুজুর হাফেজ মো. সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১৫ মার্চ দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা জজ এম আলী আহমেদ মামলাটির এ রায় দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দণ্ড পাওয়া আসামি হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. সাহাব ওরফে ছাহার আলীর ছেলে। স্থানীয় মোহাম্মদপুর পূর্বপাড়ায় ভুক্তভোগী শিশুটির দাদা মো. সাইফুল ইসলামের বাড়িতে থেকে মোহাম্মদ পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ইমামতি করতেন। প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ওই মসজিদের মক্তবে স্থানীয় শিশুদের আরবি পড়াতেন তিনি। ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর ভোরে মক্তবে কায়দা পড়ে যথারীতি অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে বাড়িতে চলে যায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটি।

এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৮টার দিকে হাফেজ সাইফুল ওই শিশুদের বাড়িতে গিয়ে ঘর পরিষ্কার করার কথা বলে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। ওইদিন কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে হাফেজ সাইফুল শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। রক্তাক্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। ওই ঘটনার পাঁচদিন পর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় হাফেজ সাইফুলকে আসামি করে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির পুলিশি তদন্ত শেষে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দিতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৫ মার্চ দুপুরে বিচারক উল্লিখিত রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আসামি হাফেজ সাইফুলকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি মো. আকরাম হোসেন এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. আব্দুল্লাহ।