ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

মক্তবের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মক্তবের হুজুরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

মক্তবের সাত বছর বয়সের এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মামলাটির একমাত্র আসামি মসজিদের ইমাম ও মক্তবের হুজুর হাফেজ মো. সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১৫ মার্চ দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা জজ এম আলী আহমেদ মামলাটির এ রায় দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দণ্ড পাওয়া আসামি হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. সাহাব ওরফে ছাহার আলীর ছেলে। স্থানীয় মোহাম্মদপুর পূর্বপাড়ায় ভুক্তভোগী শিশুটির দাদা মো. সাইফুল ইসলামের বাড়িতে থেকে মোহাম্মদ পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ইমামতি করতেন। প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ওই মসজিদের মক্তবে স্থানীয় শিশুদের আরবি পড়াতেন তিনি। ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর ভোরে মক্তবে কায়দা পড়ে যথারীতি অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে বাড়িতে চলে যায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটি।

এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৮টার দিকে হাফেজ সাইফুল ওই শিশুদের বাড়িতে গিয়ে ঘর পরিষ্কার করার কথা বলে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। ওইদিন কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে হাফেজ সাইফুল শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। রক্তাক্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। ওই ঘটনার পাঁচদিন পর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় হাফেজ সাইফুলকে আসামি করে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির পুলিশি তদন্ত শেষে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দিতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৫ মার্চ দুপুরে বিচারক উল্লিখিত রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আসামি হাফেজ সাইফুলকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি মো. আকরাম হোসেন এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. আব্দুল্লাহ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

মক্তবের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মক্তবের হুজুরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

মক্তবের সাত বছর বয়সের এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মামলাটির একমাত্র আসামি মসজিদের ইমাম ও মক্তবের হুজুর হাফেজ মো. সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১৫ মার্চ দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা জজ এম আলী আহমেদ মামলাটির এ রায় দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দণ্ড পাওয়া আসামি হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. সাহাব ওরফে ছাহার আলীর ছেলে। স্থানীয় মোহাম্মদপুর পূর্বপাড়ায় ভুক্তভোগী শিশুটির দাদা মো. সাইফুল ইসলামের বাড়িতে থেকে মোহাম্মদ পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ইমামতি করতেন। প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ওই মসজিদের মক্তবে স্থানীয় শিশুদের আরবি পড়াতেন তিনি। ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর ভোরে মক্তবে কায়দা পড়ে যথারীতি অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে বাড়িতে চলে যায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটি।

এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৮টার দিকে হাফেজ সাইফুল ওই শিশুদের বাড়িতে গিয়ে ঘর পরিষ্কার করার কথা বলে শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। ওইদিন কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে হাফেজ সাইফুল শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। রক্তাক্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। ওই ঘটনার পাঁচদিন পর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় হাফেজ সাইফুলকে আসামি করে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির পুলিশি তদন্ত শেষে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দিতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৫ মার্চ দুপুরে বিচারক উল্লিখিত রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আসামি হাফেজ সাইফুলকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি মো. আকরাম হোসেন এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. আব্দুল্লাহ।