ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় দরিদ্রদের মাঝে উন্নয়ন সংঘের গৃহঋণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় দরিদ্রদের মাঝে উন্নয়ন সংঘের গৃহঋণের চেক বিতরণ করা হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় দরিদ্রদের মাঝে উন্নয়ন সংঘের গৃহঋণের চেক বিতরণ করা হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, গৃহহীন কেউ থাকবে না আর’ এই স্লোগানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহায়ন প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় উন্নয়ন সংঘের গৃহায়ন প্রকল্পের আওতায় সহজ শর্তে দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে গৃহঋণের চেক দেওয়া হয়েছে। চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।

১১ মার্চ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উন্নয়ন সংঘের পরিচালক অর্থ ও প্রশাসন জিয়াউর রহমান, সহকারী পরিচালক কর্মসূচি মোর্শেদ ইকবাল, সঞ্চয় ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন, জেলা ব্যবস্থাপক (এসআরএইচআর) লিটন সরকার, পরিবীক্ষণ কর্মকর্তা (এসএমপি) শাহজাহান মিয়া, উপজেলা ব্যবস্থাপক আরজু মিয়া, ইউনিয়ন সহায়ক ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।

এ দিন জামালপুর সদর উপজেলার লিলি, উষা, ময়না, রিপা ও আঁখিকে গৃহঋণ দেওয়া হয়। প্রতিজনকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করে ঋণ দেওয়া হয়। নামমাত্র সেবামূল্যে এই ঋণ দুই বছরে মেয়াদে পরিশোধ করবে বলে জানা যায়। এর আগে ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১২৮ জনকে গৃহঋণ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় আরো অধিক সংখ্যক গৃহঋণ দেওয়া হবে বলে উন্নয়ন সংঘ সূত্র জানায়। ইতিপুর্বে দেয়া ঋণের আদায়ের হার শতভাগ এবং প্রতিটি ঘরই টেকসই করে গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানা যায়।

উল্লেখ উন্নয়ন সংঘ জামালপুর ও শেরপুরে ১৯৮০ সাল থেকে সুনামের সাথে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। পাশাপাশি দেশের আরো ১০টি জেলায় স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, শিশু সুরক্ষা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার সফলতা রয়েছে বলে সংস্থার পরিচালকগণ জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় দরিদ্রদের মাঝে উন্নয়ন সংঘের গৃহঋণ

আপডেট সময় ০৫:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় দরিদ্রদের মাঝে উন্নয়ন সংঘের গৃহঋণের চেক বিতরণ করা হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, গৃহহীন কেউ থাকবে না আর’ এই স্লোগানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহায়ন প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় উন্নয়ন সংঘের গৃহায়ন প্রকল্পের আওতায় সহজ শর্তে দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে গৃহঋণের চেক দেওয়া হয়েছে। চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।

১১ মার্চ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উন্নয়ন সংঘের পরিচালক অর্থ ও প্রশাসন জিয়াউর রহমান, সহকারী পরিচালক কর্মসূচি মোর্শেদ ইকবাল, সঞ্চয় ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন, জেলা ব্যবস্থাপক (এসআরএইচআর) লিটন সরকার, পরিবীক্ষণ কর্মকর্তা (এসএমপি) শাহজাহান মিয়া, উপজেলা ব্যবস্থাপক আরজু মিয়া, ইউনিয়ন সহায়ক ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।

এ দিন জামালপুর সদর উপজেলার লিলি, উষা, ময়না, রিপা ও আঁখিকে গৃহঋণ দেওয়া হয়। প্রতিজনকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করে ঋণ দেওয়া হয়। নামমাত্র সেবামূল্যে এই ঋণ দুই বছরে মেয়াদে পরিশোধ করবে বলে জানা যায়। এর আগে ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১২৮ জনকে গৃহঋণ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় আরো অধিক সংখ্যক গৃহঋণ দেওয়া হবে বলে উন্নয়ন সংঘ সূত্র জানায়। ইতিপুর্বে দেয়া ঋণের আদায়ের হার শতভাগ এবং প্রতিটি ঘরই টেকসই করে গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানা যায়।

উল্লেখ উন্নয়ন সংঘ জামালপুর ও শেরপুরে ১৯৮০ সাল থেকে সুনামের সাথে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। পাশাপাশি দেশের আরো ১০টি জেলায় স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, শিশু সুরক্ষা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার সফলতা রয়েছে বলে সংস্থার পরিচালকগণ জানান।