ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’ : প্রধানমন্ত্রী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্ম নিয়ে গবেষণা বাড়াতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামালপুরে ১১ দলের গণ-মিছিল প্রতিটি শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা পাওয়ার জন্য কাজ করছে সরকার : এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত ঝিনাইগাতীতে খালের অবৈধ বাধ উচ্ছেদ : কৃষকদের মাঝে স্বস্তি জামালপুরে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান : র‌্যাবের গাড়িতে ঢিল, আটক দুই ধুনটে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন গণগ্রন্থাগার জামালপুরে মে দিবস উদযাপিত ডোবার পানিতে ভাসছে সরকারি ওষুধ ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দরে দুই দিন বন্ধ থাকবে আমদানি রপ্তানি

সরিষাবাড়ী শত্রুমুক্ত দিবস ১২ ডিসেম্বর

সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত হয়। ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র দেশ স্বাধীর হলেও তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদারমুক্ত হয় বিজয় দিবসের চারদিন আগেই। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে এ দেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭ শত ৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সংবাদ পান, দুই শতাধিক পাকসেনা স্থানীয় রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগন্নাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান করছে। এ সংবাদে ওই রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভুমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

এ রাতে পিংনার বারইপটল ফুলদহের পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২জন শহীদ হন। সারা রাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ভোরে সকল পাক সেনাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হন। পরদিন ১২ ডিসেম্বর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

সরিষাবাড়ী মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিজয় মিছিল, স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, প্রীতিভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’ : প্রধানমন্ত্রী

সরিষাবাড়ী শত্রুমুক্ত দিবস ১২ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮
সরিষাবাড়ীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সরিষাবাড়ী হানাদারমুক্ত হয়। ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র দেশ স্বাধীর হলেও তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা হানাদারমুক্ত হয় বিজয় দিবসের চারদিন আগেই। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে এ দেশ স্বাধীন করতে সারা দেশের ন্যায় সরিষাবাড়ীর বাংলা মায়ের ৭ শত ৪৪ জন দামাল ছেলে একযুগে মাতৃভূমি রক্ষায় সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।

১১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সংবাদ পান, দুই শতাধিক পাকসেনা স্থানীয় রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় জগন্নাথগঞ্জ ঘাটে অবস্থান করছে। এ সংবাদে ওই রাতেই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নাজিম বাহিনী, আনিস বাহিনী, রশিদ বাহিনী, লুৎফর বাহিনী ও ফজলু বাহিনী বিশেষ সাহসী ভুমিকা নিয়ে মিত্র বাহিনীর সহায়তায় যৌথ অভিযান চালায়।

এ রাতে পিংনার বারইপটল ফুলদহের পাড়ায় পাক বাহিনীর গুলিতে ১১জন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ মুক্তিকামীসহ ৪২জন শহীদ হন। সারা রাতের প্রচেষ্টায় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা ভোরে সকল পাক সেনাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হন। পরদিন ১২ ডিসেম্বর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

সরিষাবাড়ী মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিজয় মিছিল, স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, প্রীতিভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।