ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচনে লড়বেন মির্জা আজম

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মির্জা আজম

মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৩ মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনে টানা পাঁচ বারের এমপি বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম ষষ্ঠবারের মতো আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকা প্রতীকের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ২৫ নভেম্বর ঢাকায় দলীয় কার্যালয় থেকে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত চিঠি পেয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এ আসন থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে একাধারে পাঁচবার ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ৮ম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ এবং ৯ম জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ ছিলেন। তিনি ৫ম সংসদে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির, ৭ম সংসদে সরকারি প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত কমিটির এবং বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির এবং ৯ম সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। একই বছরের ১৩ জানুয়ারি তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পাওয়াসহ বিগত টানা ২৮ বছর ধরে তার আসনের দুই উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বিগত পাঁচ বছরে সারা জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্প আনতে সক্ষম হন তিনি। তিনি জামালপুরে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ সারা জেলায় বিভিন্ন স্তরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ আনতে সক্ষম হন। এসব প্রকল্পের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচনে লড়বেন মির্জা আজম

আপডেট সময় ০৮:০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৮
মির্জা আজম

মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৩ মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনে টানা পাঁচ বারের এমপি বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম ষষ্ঠবারের মতো আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকা প্রতীকের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ২৫ নভেম্বর ঢাকায় দলীয় কার্যালয় থেকে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত চিঠি পেয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এ আসন থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে একাধারে পাঁচবার ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ৮ম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ এবং ৯ম জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ ছিলেন। তিনি ৫ম সংসদে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির, ৭ম সংসদে সরকারি প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত কমিটির এবং বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির এবং ৯ম সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। একই বছরের ১৩ জানুয়ারি তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পাওয়াসহ বিগত টানা ২৮ বছর ধরে তার আসনের দুই উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বিগত পাঁচ বছরে সারা জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্প আনতে সক্ষম হন তিনি। তিনি জামালপুরে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ সারা জেলায় বিভিন্ন স্তরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ আনতে সক্ষম হন। এসব প্রকল্পের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।