ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উৎসবমুখর পরিবেশে দ্বিধাহীন চিত্তে ভোট দিন : দেশবাসীর প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান নির্বাচনে মাঠে থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য : ইসি সানাউল্লাহ নির্বাচিত হলে বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে : এমপি প্রার্থী ওয়ারেছ আলী মামুন দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ের লক্ষ্যে জামালপুরে নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে যৌথবাহিনীর মহড়া নানান প্রতশ্রুতিতে চর আর বীরের ভোটারদের শেষ মুহূর্তে মন জয়ে মরিয়া প্রার্থীরা শেরপুর-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা ও স্বতন্ত্র, শেরপুর-২ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই যমুনা সারকারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু নেতা হওয়ার জন্য আসি নাই, এসেছি সেবক হতে : জামায়াত নেতা কিবরিয়া বিএনপির সমপর্যায়ে কোন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নেই : ওয়ারেছ আলী মামুন

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে : ড. কামাল হোসেন

ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ড. কামাল হোসেন। ছবি : সংগৃহিত

ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ড. কামাল হোসেন। ছবি : সংগৃহিত

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য সকলকে আপোষহীনভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ৬ নভেম্বর বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি ঐক্যবদ্ধ থাকব। সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে। আপনাদের সবাইকে ভোটাধিকারের পাহাড়া দিতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীনভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়ে যাব। সামনে আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করব। আপনারা ঐক্যবদ্ধভাবে তা বাস্তবায়ন করবেন।

সমাবেশে আসতে বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়ারও কঠোর সমালোচনা করেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, আইন ইচ্ছা করে বদলানো যায় না। আইন আইনই থাকে। বিরোধী দলের জন্যও আইন, সরকারি দলের জন্যও আইন। এটা হয় না, যে সরকারি দল সব আইনের উর্ধ্বে; আর বিরোধী দলের নেতানেত্রীদের যেনতেনভাবে হয়রানি করা হবে, জেলে রাখা হবে। এটা বন্ধ করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে এটা চলতে পারে না। নির্বাচিত সরকারও করতে পারে না। আর অনির্বাচিত সরকারের জন্য তো এটা অপরাধ। আজ হোক বা কাল হোক এর জবাব দিতে হবে।

তিনি বলেন, ক্ষমতার মালিক জনগণ। কোনো দলের কর্মী হিসেবে নয় দেশে মালিক হিসেবে আপনাদের দাঁড়াতে হবে। রাস্তা বন্ধ করে জনগণকে নিষ্ক্রিয় করে সমাবেশ বন্ধ করা যাবে না। এটা কোনও ব্যক্তির রাষ্ট্র না। বাধা বিপত্তি মাথা পেতে নেব না। এই দেশে কোনো রাজতন্ত্র মহারানী বা মহারাজা নেই। বৃহত্তরও ঐক্যের ভিত্তিতে আপনাদের আমাদের সকলকে দাঁড়াতে হবে। আমাদের অধিকার আমরা অবশ্যই ফিরিয়ে আনব। জনগণ জেগেছে, এই জাগরণের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিক করা হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে কামাল হোসেন বলেন, আজকে আইনের শাসন অনুপস্থিত। যাকে তাকে যেনতেনভাবে ধরে নিয়ে জেলে নিয়ে অন্তরীণ করা হচ্ছে। আমি বেগম জিয়ার মুক্তি দাবি করছি। অন্যান্য যারা রাজনৈতিক নেতাকর্মী বন্দি তাদের মুক্তি দাবি করছি। দেশের বিরোধী দলীয় নেত্রীকে যেখানে শ্রদ্ধা জানানো হবে না, সেই দেশে গণতন্ত্র চলতে পারে না।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. কামাল বলেন, আমি ছিলাম কোর্টের সামনে। আপনারা বলেছেন, সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটা নির্বাচন করবেন। অথচ পুরো ৫ বছর চালিয়ে দিলেন। সরকারের কথার এক পয়সারও দাম নাই, সেটা এবার প্রমাণ হয়েছে। এটা কেমন বিবেক ও আইনের শাসন সংবিধানের পরিচয়। সংবিধানকে ষোলো আনা উপেক্ষা করা হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জাসদ সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি চিকিৎসক জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
সূত্র : ইত্তেফাক

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর পরিবেশে দ্বিধাহীন চিত্তে ভোট দিন : দেশবাসীর প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে : ড. কামাল হোসেন

আপডেট সময় ০৮:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ নভেম্বর ২০১৮
ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ড. কামাল হোসেন। ছবি : সংগৃহিত

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য সকলকে আপোষহীনভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ৬ নভেম্বর বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি ঐক্যবদ্ধ থাকব। সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে। আপনাদের সবাইকে ভোটাধিকারের পাহাড়া দিতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীনভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়ে যাব। সামনে আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করব। আপনারা ঐক্যবদ্ধভাবে তা বাস্তবায়ন করবেন।

সমাবেশে আসতে বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়ারও কঠোর সমালোচনা করেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, আইন ইচ্ছা করে বদলানো যায় না। আইন আইনই থাকে। বিরোধী দলের জন্যও আইন, সরকারি দলের জন্যও আইন। এটা হয় না, যে সরকারি দল সব আইনের উর্ধ্বে; আর বিরোধী দলের নেতানেত্রীদের যেনতেনভাবে হয়রানি করা হবে, জেলে রাখা হবে। এটা বন্ধ করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে এটা চলতে পারে না। নির্বাচিত সরকারও করতে পারে না। আর অনির্বাচিত সরকারের জন্য তো এটা অপরাধ। আজ হোক বা কাল হোক এর জবাব দিতে হবে।

তিনি বলেন, ক্ষমতার মালিক জনগণ। কোনো দলের কর্মী হিসেবে নয় দেশে মালিক হিসেবে আপনাদের দাঁড়াতে হবে। রাস্তা বন্ধ করে জনগণকে নিষ্ক্রিয় করে সমাবেশ বন্ধ করা যাবে না। এটা কোনও ব্যক্তির রাষ্ট্র না। বাধা বিপত্তি মাথা পেতে নেব না। এই দেশে কোনো রাজতন্ত্র মহারানী বা মহারাজা নেই। বৃহত্তরও ঐক্যের ভিত্তিতে আপনাদের আমাদের সকলকে দাঁড়াতে হবে। আমাদের অধিকার আমরা অবশ্যই ফিরিয়ে আনব। জনগণ জেগেছে, এই জাগরণের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিক করা হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে কামাল হোসেন বলেন, আজকে আইনের শাসন অনুপস্থিত। যাকে তাকে যেনতেনভাবে ধরে নিয়ে জেলে নিয়ে অন্তরীণ করা হচ্ছে। আমি বেগম জিয়ার মুক্তি দাবি করছি। অন্যান্য যারা রাজনৈতিক নেতাকর্মী বন্দি তাদের মুক্তি দাবি করছি। দেশের বিরোধী দলীয় নেত্রীকে যেখানে শ্রদ্ধা জানানো হবে না, সেই দেশে গণতন্ত্র চলতে পারে না।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. কামাল বলেন, আমি ছিলাম কোর্টের সামনে। আপনারা বলেছেন, সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটা নির্বাচন করবেন। অথচ পুরো ৫ বছর চালিয়ে দিলেন। সরকারের কথার এক পয়সারও দাম নাই, সেটা এবার প্রমাণ হয়েছে। এটা কেমন বিবেক ও আইনের শাসন সংবিধানের পরিচয়। সংবিধানকে ষোলো আনা উপেক্ষা করা হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জাসদ সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি চিকিৎসক জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
সূত্র : ইত্তেফাক