ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে ডাক কর্মচারীদের ধর্মঘট জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত সীমান্তে সড়ক সংস্কারে এলজিইডিকে নির্দেশ দিলেন বিভাগীয় কমিশনার প্রতিশ্রুতির বন্যা : জনসেবা নাকি ভোটের রাজনীতি? মাদারগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহারের দায়ে পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

জামালপুরে হচ্ছে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

মির্জা আজম

প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম

আজিজুর রহমান ডল॥
জামালপুর জেলার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় এবার জামালপুরবাসী পেতে যাচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি পলিটেকটিক ইন্সটিটিউট। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ-একনেকের সভায় ৩০ অক্টোবর ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে ‘জামালপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রায় ২০ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত জামালপুর জেলার ভৌত ও অবকাঠানো উন্নয়নের পাশাপাশি বেকার সমস্যা দূর করার লক্ষ্য নিয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তার প্রচেষ্টায় বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে পুরনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হচ্ছে নতুন নতুন ভবন। অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে উচ্চ শিক্ষার দ্বার উম্মোচন হতে যাচ্ছে। জেলার তরুণ-যুবসমাজকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষা লাভ করে চাকরি ও স্বপেশায় স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যে জামালপুরে বেশ কয়েকটি কৃষি ও প্রকৌশল ভিত্তিক কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হচ্ছে। তথ্য ও প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থানের ‘আইটি পার্ক’ও হচ্ছে এই জামালপুরে। খুব শিগগির আইটি পার্ক স্থাপনের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এখন নতুন যুক্ত হলো জামালপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।

জামালপুরে একটি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য জেলাবাসী দীর্ঘ দিনে ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল। অবশেষে ৩০ অক্টোবর একনেকে ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে ‘জামালপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ায় হাতের কাছেই কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে জীবন গড়ার নতুন দ্বার খুলতে যাচ্ছে। জামালপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ স্থাপিত হলে কম্পিউটার, ইলেক্ট্রিক, ইলেক্ট্রনিক্স, রেফ্রিজারেটর ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন টেকনোলজি বিভাগে পড়ালেখা করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হবে এই জেলার ছেলে-মেয়েদের। বিদেশে গিয়েও চাকরি করতে পারবে। আবার অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে দেশেই কারিগরি জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবে। জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া কম্পপুর এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করে এই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে। এটি হলে শুধু জামালপুর নয়, সারা দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে।

এদিকে একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জামালপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়ে জামালপুর জেলার তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষালাভের সুযোগ করে দেওয়ায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম জামালপুর জেলাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়ে ৬৪টি জেলার মধ্যে ১০টি উন্নত জেলার তালিকায় জামালপুর জেলাকে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সাথে জামালপুর জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প এবং জেলার উন্নয়ন ও পরিচিতির তালিকায় যুক্ত হয়েছে ৩৭ কোটি টাকার পাট গবেষণা উপকেন্দ্র প্রকল্প। এছাড়া শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ, শেখ হাসিনা সাংস্কৃতিক পল্লী, শেখ হাসিনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বেশ কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইটি পার্ক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, দুটি ইপিজেড, তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ, কামালপুর স্থলবন্দরের আধুনিকায়ন, তিনটি বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। একনেকে অনুমোদন পেয়েছে ৬০ কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার টাকার ‘ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট প্রকল্প’। সব মিলিয়ে সারা জেলায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ হচ্ছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে অনেক প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কোনো কোনো প্রকল্প কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিমাসেই যুক্ত হচ্ছে আরও নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্প।

বাংলারচিঠি ডটকমের ফেসবুক পাতায় লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে হচ্ছে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮
প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম

আজিজুর রহমান ডল॥
জামালপুর জেলার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় এবার জামালপুরবাসী পেতে যাচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি পলিটেকটিক ইন্সটিটিউট। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ-একনেকের সভায় ৩০ অক্টোবর ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে ‘জামালপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রায় ২০ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত জামালপুর জেলার ভৌত ও অবকাঠানো উন্নয়নের পাশাপাশি বেকার সমস্যা দূর করার লক্ষ্য নিয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তার প্রচেষ্টায় বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে পুরনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হচ্ছে নতুন নতুন ভবন। অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে উচ্চ শিক্ষার দ্বার উম্মোচন হতে যাচ্ছে। জেলার তরুণ-যুবসমাজকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষা লাভ করে চাকরি ও স্বপেশায় স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যে জামালপুরে বেশ কয়েকটি কৃষি ও প্রকৌশল ভিত্তিক কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হচ্ছে। তথ্য ও প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থানের ‘আইটি পার্ক’ও হচ্ছে এই জামালপুরে। খুব শিগগির আইটি পার্ক স্থাপনের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এখন নতুন যুক্ত হলো জামালপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।

জামালপুরে একটি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য জেলাবাসী দীর্ঘ দিনে ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল। অবশেষে ৩০ অক্টোবর একনেকে ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে ‘জামালপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ায় হাতের কাছেই কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে জীবন গড়ার নতুন দ্বার খুলতে যাচ্ছে। জামালপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ স্থাপিত হলে কম্পিউটার, ইলেক্ট্রিক, ইলেক্ট্রনিক্স, রেফ্রিজারেটর ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন টেকনোলজি বিভাগে পড়ালেখা করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হবে এই জেলার ছেলে-মেয়েদের। বিদেশে গিয়েও চাকরি করতে পারবে। আবার অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে দেশেই কারিগরি জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবে। জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া কম্পপুর এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করে এই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে। এটি হলে শুধু জামালপুর নয়, সারা দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে।

এদিকে একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জামালপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়ে জামালপুর জেলার তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষালাভের সুযোগ করে দেওয়ায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম জামালপুর জেলাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়ে ৬৪টি জেলার মধ্যে ১০টি উন্নত জেলার তালিকায় জামালপুর জেলাকে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সাথে জামালপুর জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প এবং জেলার উন্নয়ন ও পরিচিতির তালিকায় যুক্ত হয়েছে ৩৭ কোটি টাকার পাট গবেষণা উপকেন্দ্র প্রকল্প। এছাড়া শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ, শেখ হাসিনা সাংস্কৃতিক পল্লী, শেখ হাসিনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বেশ কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইটি পার্ক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, দুটি ইপিজেড, তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ, কামালপুর স্থলবন্দরের আধুনিকায়ন, তিনটি বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। একনেকে অনুমোদন পেয়েছে ৬০ কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার টাকার ‘ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট প্রকল্প’। সব মিলিয়ে সারা জেলায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ হচ্ছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে অনেক প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কোনো কোনো প্রকল্প কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিমাসেই যুক্ত হচ্ছে আরও নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্প।

বাংলারচিঠি ডটকমের ফেসবুক পাতায় লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন