জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় আট বছর বয়সী এক তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মামলাটির একমাত্র আসামি সাইদুর রহমান ওরফে সাইদুর মুন্সিকে (৪৫) আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সাথে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী শিশুকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
৫ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাইদুর রহমান দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সাকোয়াপাড়া এলাকার জুরাল মুন্সির ছেলে। তিনি স্থানীয় মদিনাতুল উলুম নূরানী মডেল মাদরাসার শিক্ষক।
মামলার অভিযোগ ও নথি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মদিনাতুল উলুম নূরানী মডেল মাদরাসার শিক্ষক সাইদুর রহমান মুন্সি নিজ কর্মস্থলের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। সেই ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ৩ মে দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৪)(খ) ধারায় করা হয় মামলাটি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে বলেন, এই মামলায় মোট আটজন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাইদুর রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সাথে তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন আদালত। পাশাপাশি জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী শিশুকে দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
মো. আলমগীর : নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর, বাংলারচিঠিডটকম 


















