ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মুহুরির ৭ দিনের কারাদণ্ড

দেওয়ানগঞ্জ : দণ্ডপ্রাপ্ত মুহুরী রফিকুল ইসলাম রবিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম 

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জমির নামজারি (খারিজ) করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং বেআইনিভাবে অন্যের নথিপত্র নিজের কাছে রাখার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম রবিন (৪৫) নামে একজন মুহুরীকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রফিকুল ইসলাম রবিন উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের সাপমারি গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি দেওয়ানগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে মুহুরি হিসেবে কর্মরত আছেন।

৭ জুন, রবিবার দুপুরে পৌর শহরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন।

​​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৭ জুন দুপুরে রফিকুল ইসলাম রবিন একাধিক ব্যক্তির জমির নামজারি সংক্রান্ত তদবিরের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যান। বিষয়টি তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেনের নজরে আসে। সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে মূল মালিক ছাড়া অন্য চারজন ব্যক্তির নামজারির গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও বেআইনি তদবিরের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, জমির প্রকৃত মালিক বা তার মনোনীত আইনগত প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কারও নামজারিসংক্রান্ত কাজে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। অভিযুক্ত ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্যের জমির নামজারি করে দেওয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন এবং ভূমি অফিসে তদবির করছিলেন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ​ভূমিসেবায় দালালি ও হয়রানি বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

মুহুরির ৭ দিনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:২৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জমির নামজারি (খারিজ) করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং বেআইনিভাবে অন্যের নথিপত্র নিজের কাছে রাখার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম রবিন (৪৫) নামে একজন মুহুরীকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রফিকুল ইসলাম রবিন উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের সাপমারি গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি দেওয়ানগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে মুহুরি হিসেবে কর্মরত আছেন।

৭ জুন, রবিবার দুপুরে পৌর শহরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন।

​​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৭ জুন দুপুরে রফিকুল ইসলাম রবিন একাধিক ব্যক্তির জমির নামজারি সংক্রান্ত তদবিরের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যান। বিষয়টি তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেনের নজরে আসে। সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে মূল মালিক ছাড়া অন্য চারজন ব্যক্তির নামজারির গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও বেআইনি তদবিরের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, জমির প্রকৃত মালিক বা তার মনোনীত আইনগত প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কারও নামজারিসংক্রান্ত কাজে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। অভিযুক্ত ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্যের জমির নামজারি করে দেওয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন এবং ভূমি অফিসে তদবির করছিলেন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ​ভূমিসেবায় দালালি ও হয়রানি বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।