ঢাকা ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

দৃশ্যটি যেন সমাজকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়- সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না। ছবি : এন এইচ বাবু ঢালী

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের ব্যস্ত প্ল্যাটফর্মে হঠাৎ চোখে পড়লো এক হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্য। ট্রেনে উঠার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন এক অজ্ঞাত বাবা। তার ঘাড়ে ছিল প্রতিবন্ধী পুত্র, আর নিচে পড়ে ছিল একটি হুইলচেয়ার।

চারপাশে মানুষের ভিড়, ট্রেনের শব্দ আর ব্যস্ততার মাঝেও বাবার চোখে ছিল শুধু সন্তানের চিন্তা। সন্তানের শরীরের ভার যেন তার কাছে কোনো কষ্ট নয়, বরং দায়িত্ব আর ভালোবাসার এক নিঃশব্দ প্রকাশ।

দীর্ঘ সময় ধরে সন্তানকে ঘাড়ে নিয়েই ট্রেনে উঠার চেষ্টা করছিলেন তিনি। ক্লান্তি ছিল, কষ্ট ছিল, কিন্তু ছিল না কোনো বিরক্তি।

দৃশ্যটি যেন সমাজকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়- সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না।

আজকের সমাজে যেখানে অনেকেই নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে ব্যস্ত, সেখানে এই অজ্ঞাত বাবা ভালোবাসার এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। হয়তো তার পরিচয় কেউ জানে না, কিন্তু সন্তানের প্রতি তার মমতা ও সংগ্রামের এই দৃশ্য মানুষের হৃদয়ে দাগ কেটে যাবে দীর্ঘদিন।

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ছবি নয়, এটি একজন বাবার সীমাহীন ভালোবাসা, ত্যাগ আর মানবতার প্রতিচ্ছবি।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

আপডেট সময় ১১:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের ব্যস্ত প্ল্যাটফর্মে হঠাৎ চোখে পড়লো এক হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্য। ট্রেনে উঠার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন এক অজ্ঞাত বাবা। তার ঘাড়ে ছিল প্রতিবন্ধী পুত্র, আর নিচে পড়ে ছিল একটি হুইলচেয়ার।

চারপাশে মানুষের ভিড়, ট্রেনের শব্দ আর ব্যস্ততার মাঝেও বাবার চোখে ছিল শুধু সন্তানের চিন্তা। সন্তানের শরীরের ভার যেন তার কাছে কোনো কষ্ট নয়, বরং দায়িত্ব আর ভালোবাসার এক নিঃশব্দ প্রকাশ।

দীর্ঘ সময় ধরে সন্তানকে ঘাড়ে নিয়েই ট্রেনে উঠার চেষ্টা করছিলেন তিনি। ক্লান্তি ছিল, কষ্ট ছিল, কিন্তু ছিল না কোনো বিরক্তি।

দৃশ্যটি যেন সমাজকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়- সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না।

আজকের সমাজে যেখানে অনেকেই নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে ব্যস্ত, সেখানে এই অজ্ঞাত বাবা ভালোবাসার এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। হয়তো তার পরিচয় কেউ জানে না, কিন্তু সন্তানের প্রতি তার মমতা ও সংগ্রামের এই দৃশ্য মানুষের হৃদয়ে দাগ কেটে যাবে দীর্ঘদিন।

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ছবি নয়, এটি একজন বাবার সীমাহীন ভালোবাসা, ত্যাগ আর মানবতার প্রতিচ্ছবি।