শেরপুরের নকলা উপজেলায় বাড়ির সীমানার রাস্তা নিয়ে খোরশেদ (৫০) নামের এক কৃষককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজন নারীকে আটক করেছে নকলা থানা পুলিশ। ২৪ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার সকাল অনুমান সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়নের চিথলিয়া পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কৃষকের ভাই বকুল মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের চাচাত বোনজামাই জুলহাস মিয়ার সাথে পারিবারিক বাড়ির সীমানার রাস্তা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে পারিবারিক ঝগড়াকে কেন্দ্র করে আমার ভাই খোরশেদ সেই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে জুলহাস মিয়ার পরিবারের লোকজন হামলা করে। তারা খোরশেদের গলাটুটি চেপে ধরাসহ শরীরের পেছন দিক দিয়ে দুই হাত দিয়ে চেপে ধরলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই পড়ে যান।
পরে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুলহাসের স্ত্রী জুলেখা বেগম, হাফিজুলের স্ত্রী জোস্না ও জাকিরের স্ত্রী শারমিন আক্তারকে আটক করেন।
জুলহাসের পরিবার জানায়, আমাদের কেউ খোরশেদকে স্পর্শও করেনি। জমিসংক্রান্ত দ্বন্দ খোরশেদ উত্তেজিত হয়ে মাটিতে পরে যায়। তিনি আগে থেকেও শ্বাসকষ্টের রোগি ছিলেন। আমাদের পরিবার তাকে মারেনি। উত্তেজিত হওয়ার কারনে স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করতে পারে। আমাদের উপর আনা অভিযোগ মিথ্যা।
নকলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবুল কাসেম এ প্রতিবেদককে বলেন, জমিসংক্রান্ত দ্বন্দ্বের কারণে মারা যাওয়া কৃষক খোরশেদের সুরুতহাল প্রস্তুত করেছি। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজন নারীকে আটক করি। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
শফিউল আলম লাভলু: নিজস্ব প্রতিবেদক, নকলা (শেরপুর), বাংলারচিঠিডটকম 



















