ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুর : সভা শেষে অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির সভাপতি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী খানম ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম 

কারামুক্ত বন্দিদের সাজাভোগ শেষে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর, বৃস্পতিবার বিকালে জামালপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির সভাপতি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী খানম। সভার শুরুতেই কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা ফারুক মিয়া বিগত সভার কার্যবিবরণী পাঠ করেন। আলোচনা ও পর্যলোচনা শেষে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকোনুল ইসলাম, অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির সহ-সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. নওয়াব আলী, জ্যেষ্ঠ সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম, এম এ জলিল, সাযযাদ আনসারী, মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী ও আইনজীবী আব্দুল আউয়াল প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির তহবিলে বর্তমানে উদ্বৃত্ত আছে আট লাখ ৭৯ হাজার ৩১১ টাকা। সেই তহবিল থেকে ২৩ বছর পর কারামুক্ত আনোয়ারকে তার আয়মুখী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাটারিচালিত একটি রিকশাভ্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এছাড়া অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির আজীবন সদস্য বৃদ্ধির জন্য সমাজে সৎ ও সমাজসেবামূলক কাজের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এ বছর ৫০ জন আজীবন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আজীবন সদস্য হতে জেলা প্রবেশন কার্যালয়ে পাঁচ হাজার টাকা ফি জমা দিতে হবে। জমার রশিদ অবশ্যই নিতে হবে।

পাশাপাশি সভায় শিশু আইন, প্রবেশন আইন এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে বিভিন্ন কর্মাশালা আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়। একই সাথে জামালপুর জেলা কারাগারে পুনরায় কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৯:০৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কারামুক্ত বন্দিদের সাজাভোগ শেষে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর, বৃস্পতিবার বিকালে জামালপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির সভাপতি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী খানম। সভার শুরুতেই কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা ফারুক মিয়া বিগত সভার কার্যবিবরণী পাঠ করেন। আলোচনা ও পর্যলোচনা শেষে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকোনুল ইসলাম, অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির সহ-সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. নওয়াব আলী, জ্যেষ্ঠ সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম, এম এ জলিল, সাযযাদ আনসারী, মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী ও আইনজীবী আব্দুল আউয়াল প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির তহবিলে বর্তমানে উদ্বৃত্ত আছে আট লাখ ৭৯ হাজার ৩১১ টাকা। সেই তহবিল থেকে ২৩ বছর পর কারামুক্ত আনোয়ারকে তার আয়মুখী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাটারিচালিত একটি রিকশাভ্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এছাড়া অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতির আজীবন সদস্য বৃদ্ধির জন্য সমাজে সৎ ও সমাজসেবামূলক কাজের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এ বছর ৫০ জন আজীবন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আজীবন সদস্য হতে জেলা প্রবেশন কার্যালয়ে পাঁচ হাজার টাকা ফি জমা দিতে হবে। জমার রশিদ অবশ্যই নিতে হবে।

পাশাপাশি সভায় শিশু আইন, প্রবেশন আইন এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে বিভিন্ন কর্মাশালা আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়। একই সাথে জামালপুর জেলা কারাগারে পুনরায় কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।