ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জামালপুর ও শেরপুরের শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুর : বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত জামালপুর ও শেরপুর জেলার কলেজগুলোর অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ অডিটরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি। স্বপ্ন দেখা শুরু করছি কেন? একটা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ৭০ শতাংশ উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে। এই প্রতিষ্ঠানটির ভাগ্য যদি ভাল না হয়, তাহলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাও ভাল থাকতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, দুটি জায়গা। একটি প্রাথমিক শিক্ষা। আরেকটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাথমিক শিক্ষায় যদি প্রচুর পরিমাণ ইনভেস্ট করতে না পারি, প্রাথমিক শিক্ষার যে হাল, সেটার উত্তরণ ঘটবে না। প্রাথমিক শিক্ষায় সরকারি এমপিওভুক্ত ৬০-৬২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নেই। তেমনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযথ লোকবল এবং শিক্ষার মান উন্নয়ন ঘটাতে না পরলে দেশের কল্যাণ হবে না।

জামালপুর : প্রধান অতিথি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহকে দেওয়া হয় সম্মাননা ক্রেস্ট। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সভাপতির বক্তব্যে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. হারুন অর রশিদ বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে মহৎ ব্যক্তিদের নিয়ে জামালপুর ও শেরপুর অঞ্চলে এ ধরনের অনুষ্ঠান আমার মনে হয় না ইতোপূর্বে হয়েছে। দুই জেলার জন্য আজকে একটি ঐতিহাসিক দিন। এ ধরনের একটি অনুষ্ঠান করা আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল। আমার বিশ্বাস, জামালপুর-শেরপুর অঙ্গনে শিক্ষার মান উন্নয়নে এটি একটি ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মনিটরিং ও ইভালুয়েশন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সাহাব উদ্দিন আহাম্মদের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) তাসলিমা আক্তার, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম, শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুর রউফ, সরকারি জাহিদ সফির মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফাহিমা সুলতানা, শেরপুর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ আজম রেজাউল করিম খান, শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ান প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় জামালপুর ও শেরপুর জেলার কলেজগুলোর অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষকৃবৃন্দ অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

জামালপুর ও শেরপুরের শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৯:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত জামালপুর ও শেরপুর জেলার কলেজগুলোর অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ অডিটরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি। স্বপ্ন দেখা শুরু করছি কেন? একটা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ৭০ শতাংশ উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে। এই প্রতিষ্ঠানটির ভাগ্য যদি ভাল না হয়, তাহলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাও ভাল থাকতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, দুটি জায়গা। একটি প্রাথমিক শিক্ষা। আরেকটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাথমিক শিক্ষায় যদি প্রচুর পরিমাণ ইনভেস্ট করতে না পারি, প্রাথমিক শিক্ষার যে হাল, সেটার উত্তরণ ঘটবে না। প্রাথমিক শিক্ষায় সরকারি এমপিওভুক্ত ৬০-৬২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নেই। তেমনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযথ লোকবল এবং শিক্ষার মান উন্নয়ন ঘটাতে না পরলে দেশের কল্যাণ হবে না।

জামালপুর : প্রধান অতিথি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহকে দেওয়া হয় সম্মাননা ক্রেস্ট। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সভাপতির বক্তব্যে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. হারুন অর রশিদ বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে মহৎ ব্যক্তিদের নিয়ে জামালপুর ও শেরপুর অঞ্চলে এ ধরনের অনুষ্ঠান আমার মনে হয় না ইতোপূর্বে হয়েছে। দুই জেলার জন্য আজকে একটি ঐতিহাসিক দিন। এ ধরনের একটি অনুষ্ঠান করা আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল। আমার বিশ্বাস, জামালপুর-শেরপুর অঙ্গনে শিক্ষার মান উন্নয়নে এটি একটি ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মনিটরিং ও ইভালুয়েশন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সাহাব উদ্দিন আহাম্মদের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) তাসলিমা আক্তার, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম, শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুর রউফ, সরকারি জাহিদ সফির মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফাহিমা সুলতানা, শেরপুর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ আজম রেজাউল করিম খান, শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ান প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় জামালপুর ও শেরপুর জেলার কলেজগুলোর অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষকৃবৃন্দ অংশ নেন।