বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বাংলাদেশে এমন উন্নয়ন করেছে যে শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। সেদিন গণভবনের বারা ভাত শেখ হাসিনার কপালে জোটেনি।
২৩ আগস্ট, শনিবার বিকালে জামালপুর শহরের বেলটিয়া এলাকায় জামালপুর জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণ শেখ হাসিনাকে উৎখাত করেছে। রিযিকের মালিক আল্লাহ। যেখানে তোমার রিযিক রেখেছে সেখানেই তুমি যাবে। তুমি কিছু করতে পারবে না। হাসিনা বলতেন না যে এটা আমার বাপের দেশ। আল্লাহর সাথে তিনি পাল্লা দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ খাওয়াটা তার বাংলার মাটিতে আর খাওয়া হয় নাই।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, গণঅভ্যুত্থানে ছাত্ররা নেতৃত্ব দেয়। আমরাও নেতৃত্ব দিয়েছি। এবারও ছাত্ররা নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু মাঠ তৈরি করে রাজনীতিবিদেরা। মাঠ তৈরি হয় বলে সেই মাঠে যুবকেরা খেলতে পারে। মাঠ তৈরি হয় বলেই যাদের যুদ্ধে যাওয়ার সময় তারা যুদ্ধে যেতে পারে। বিএনপি ১৬ বছর এই পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। তাই গণঅভ্যুত্থানে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব এমরান সালেহ প্রিন্স, কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত প্রমুখ। এতে উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম। বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এ এস এম আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল হক, সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু ও শামসুজ্জামান মেহেদী প্রমুখ।
প্রথম অধিবেশন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমকে সভাপতি ও আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনকে সাধারণ সম্পাদক এবং লোকমান আহাম্মেদ খান লোটনকে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, শামীম আহমেদ ও শহিদুল হক খান দুলাল এবং মো. লিয়াকত আলীকে সহ-সভাপতি, খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেলকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, সাজ্জাদ হোসেন পল্টন ও মোস্তাফিজুর রহমান আরমানকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, মো. ফিরোজ মিয়া ও শফিকুল ইসলাম খান সজীব এবং আরিফ হোসেন বাহাজকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে তিন বছর মেয়াদি ১২ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটির নাম ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
মো. আলমগীর : নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর, বাংলারচিঠিডটকম 


















