ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ইসলামপুরে দশানী নদী ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি

ডাকপাড়া গ্রামে দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ডাকপাড়া গ্রামে দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের ডাকপাড়া ও চন্দনপুর গ্রামের দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি বিস্তীর্ণ এলাকা। বিগত তিন বছর থেকে নদী ভাঙনের ফলে শতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ায় গ্রাম ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ দীর্ঘদিনের দাবি এলাকাবাসীর।

বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা গেছে, চলমান ব্যাপক ভাঙনের ফলে প্রায় বিশটি বাড়িসহ কয়েক শত শত একর ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়তই নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভিটে মাটি হারিয়ে অনেকেই বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে দিনাতিপাত করছে।

এলাকাবাসী আসাদুল হক দুলাল, গোলাপ সরকার, আব্দুর রহিম, লাল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, হাজী আব্দুল হাই, নূরনবী মিয়া, ছবুরন বেগম, আকলিমা বেগম বলেন, গত তিন বছর থেকে দুই শতাধিক বাড়িঘর, ঈদগাহ, মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙনের কারণে অনেকেই বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে গ্রাম ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিয়ে দিনাতিপাত করছে। এভাবে চলতে থাকলে ডাকপাড়া, মরাবন, নতুন শাহ পাড়া, মালপাড়া, আর্দশ গ্রাম, চন্দনপুর, টুংরাপাড়া, নতুন শাহ পাড়াসহ কয়েকটি গ্রাম অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়ে যাবে। আমরা সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

ভাঙন রোধে এলাকাবাসী স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপির সুদৃষ্টি কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

ইসলামপুরে দশানী নদী ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি

আপডেট সময় ০৭:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
ডাকপাড়া গ্রামে দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের ডাকপাড়া ও চন্দনপুর গ্রামের দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি বিস্তীর্ণ এলাকা। বিগত তিন বছর থেকে নদী ভাঙনের ফলে শতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ায় গ্রাম ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ দীর্ঘদিনের দাবি এলাকাবাসীর।

বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা গেছে, চলমান ব্যাপক ভাঙনের ফলে প্রায় বিশটি বাড়িসহ কয়েক শত শত একর ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়তই নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভিটে মাটি হারিয়ে অনেকেই বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে দিনাতিপাত করছে।

এলাকাবাসী আসাদুল হক দুলাল, গোলাপ সরকার, আব্দুর রহিম, লাল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, হাজী আব্দুল হাই, নূরনবী মিয়া, ছবুরন বেগম, আকলিমা বেগম বলেন, গত তিন বছর থেকে দুই শতাধিক বাড়িঘর, ঈদগাহ, মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙনের কারণে অনেকেই বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে গ্রাম ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিয়ে দিনাতিপাত করছে। এভাবে চলতে থাকলে ডাকপাড়া, মরাবন, নতুন শাহ পাড়া, মালপাড়া, আর্দশ গ্রাম, চন্দনপুর, টুংরাপাড়া, নতুন শাহ পাড়াসহ কয়েকটি গ্রাম অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়ে যাবে। আমরা সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

ভাঙন রোধে এলাকাবাসী স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপির সুদৃষ্টি কামনা করেন।