ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক : প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যােগে জামালপুরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শেরপুরে আন্তর্জাতিক পোডিয়াট্রি দিবস পালিত প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বকশীগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উদযাপিত সরিষাবাড়ীতে দিনমজুর দম্পতির ৪টি ষাঁড় পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত পরিবার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ইসলামপুরে সিরাজগঞ্জে ৮৫২ মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (র.) ফাউন্ডেশন খেলাধুলায় জাতীয় গণ্ডি পেরিয়ে নারীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে : প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এয়ারবাসের উড়োজাহাজ দ্রুত সরবরাহের আহ্বান বিমানমন্ত্রীর

গানের সুর বিকৃতিতে এবার মুখ খুললেন নজরুলের নাতি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের সুর বিকৃতির অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন ভারতীয় অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন কবির নাতি অনির্বাণ কাজী।

১০ নভেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ভারতীয় সিনেমা ‘পিপ্পা’। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি সিনেমায় এ আর রহমানের সুরে ‘কারার ওই লৌহকপাট’ গানটি বিকৃত করায় দুই বাংলার মানুষই এর প্রতিবাদ করেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ নিয়ে কবির নাতি অনির্বাণ কাজী বলেন, ‘যে চিন্তায় গানটি ব্যবহার করার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল তার মর্যাদা রাখা হয়নি।’

অনির্বাণ আরও বলেন, ‘গানের ক্রেডিট থেকে তার পরিবারের নাম মুছে ফেলা হোক। আমরা বুঝতে পারিনি উনার মতো একজন শিল্পী এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে।’

‘গানটিকে হত্যা করা হয়েছে। আমি চলচ্চিত্রের ক্রেডিট লাইনে “বিশেষ ধন্যবাদ”-এ আমাদের পরিবারের নাম চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা গানটা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন সুর এবং কথা ঠিক রেখে ব্যবহারের জন্য। মা বলেছিল, গানটা তৈরি হয়ে গেলে একবার শোনাতে। ২০২১ সালে মা অনুমতি দেন। কিন্তু ওরা কিছুই শোনায়নি। এরপর মাও মারা যান।’

‘রহমানকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েই জানতে চাই, তাকে কে অধিকার দিল গানটি বিকৃত করার। স্বত্ব দেওয়ার সময় তো সুর বদলের কথা বলা হয়নি। এটাকে গ্রামীণ সংগীতের মতো, ভাটিয়ালির মতো করে দিয়েছে। অনেক সস্তা করে দিয়েছে।’

১৯২২ সালের ২০ জুন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি লিখেছিলেন কবি কাজী নজরুল। এটি একটি কালজয়ী গান। ১৯৪৯ সালের জুন মাসে যা রেকর্ড করা হয়। গিরিন চক্রবর্তী গানটি গেয়েছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক : প্রধানমন্ত্রী

গানের সুর বিকৃতিতে এবার মুখ খুললেন নজরুলের নাতি

আপডেট সময় ১০:১২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের সুর বিকৃতির অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন ভারতীয় অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন কবির নাতি অনির্বাণ কাজী।

১০ নভেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ভারতীয় সিনেমা ‘পিপ্পা’। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি সিনেমায় এ আর রহমানের সুরে ‘কারার ওই লৌহকপাট’ গানটি বিকৃত করায় দুই বাংলার মানুষই এর প্রতিবাদ করেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ নিয়ে কবির নাতি অনির্বাণ কাজী বলেন, ‘যে চিন্তায় গানটি ব্যবহার করার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল তার মর্যাদা রাখা হয়নি।’

অনির্বাণ আরও বলেন, ‘গানের ক্রেডিট থেকে তার পরিবারের নাম মুছে ফেলা হোক। আমরা বুঝতে পারিনি উনার মতো একজন শিল্পী এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে।’

‘গানটিকে হত্যা করা হয়েছে। আমি চলচ্চিত্রের ক্রেডিট লাইনে “বিশেষ ধন্যবাদ”-এ আমাদের পরিবারের নাম চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা গানটা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন সুর এবং কথা ঠিক রেখে ব্যবহারের জন্য। মা বলেছিল, গানটা তৈরি হয়ে গেলে একবার শোনাতে। ২০২১ সালে মা অনুমতি দেন। কিন্তু ওরা কিছুই শোনায়নি। এরপর মাও মারা যান।’

‘রহমানকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েই জানতে চাই, তাকে কে অধিকার দিল গানটি বিকৃত করার। স্বত্ব দেওয়ার সময় তো সুর বদলের কথা বলা হয়নি। এটাকে গ্রামীণ সংগীতের মতো, ভাটিয়ালির মতো করে দিয়েছে। অনেক সস্তা করে দিয়েছে।’

১৯২২ সালের ২০ জুন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি লিখেছিলেন কবি কাজী নজরুল। এটি একটি কালজয়ী গান। ১৯৪৯ সালের জুন মাসে যা রেকর্ড করা হয়। গিরিন চক্রবর্তী গানটি গেয়েছিলেন।