ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ভাইদের না পেয়ে বোনকে পিটিয়ে হত্যা করলো সন্ত্রাসীরা

ফজিলা খাতুনের মরদেহ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ফজিলা খাতুনের মরদেহ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সন্ত্রাসীদের উপর্যুপরি লাথি ও কিল ঘুষিতে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ওই গৃহবধূর নাম ফজিলা খাতুন (৩৬)। গেল ২৯ মার্চ ভোরে হামলার শিকার হয়ে ৩১ মার্চ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহতের বাড়ি সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের টাঙ্গারিয়া পাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের তহুর উদ্দীনের স্ত্রী।

নিহতের বোন আকলিমা জানান, তার দুই ভাই পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত একখণ্ড জমি বিক্রি করতে চাইছিলো। এ খবরে একই গ্রামের সন্ত্রাসী আলিফ তার পছন্দের ক্রেতার কাছে কম মূল্যে জমি বিক্রির জন্য চাপ দিচ্ছিল। এতে তারা অস্বীকৃতি জানায়। এ কারণে ২৯ মার্চ ভোরে সন্ত্রাসীরা তার ভাইদেরকে মারধর করার করার জন্য বাড়িতেও যায়। কিন্তু বাড়ির সবাই ক্ষেতে পানি দিতে সজাগ থাকায় সন্ত্রাসীরা ব্যর্থ হয়। পরে তারা যায় ফজিলার বাড়িতে। এ সময় ফজিলা ফজরের নামাজ পড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরে তাকে ডেকে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসে সন্ত্রাসী আলিফ ও তার সহযোগেী হানিফ। এ সময় ওই দুই জনের নেতৃত্বে আরো কয়েকজন ফজিলার ওপর চড়াও হয়। পরে তার শরীরের সংবেদনশীল অংশে উপর্যুপরি লাথি ও কিল ঘুষি মারতে থাকে। এ পর্যায়ে ফজিলাকে মাটিতে ফেলে সন্ত্রাসীরা পা দিয়ে তার গলা চেপে ধরে তলপেটে বেশ কয়েকটি লাথি মারে। এ ঘটনায় ফজিলা গুরুত্বর আহত হয়। পরে তাকে আশংকাজনক অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩১ মার্চ সকাল সাড়ে দশটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশের ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, লাশের সুরতহাল তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর এ ঘটনায় বিকালে আজাদ মিয়া একজন বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

ভাইদের না পেয়ে বোনকে পিটিয়ে হত্যা করলো সন্ত্রাসীরা

আপডেট সময় ০৬:২৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১
ফজিলা খাতুনের মরদেহ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সন্ত্রাসীদের উপর্যুপরি লাথি ও কিল ঘুষিতে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ওই গৃহবধূর নাম ফজিলা খাতুন (৩৬)। গেল ২৯ মার্চ ভোরে হামলার শিকার হয়ে ৩১ মার্চ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহতের বাড়ি সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের টাঙ্গারিয়া পাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের তহুর উদ্দীনের স্ত্রী।

নিহতের বোন আকলিমা জানান, তার দুই ভাই পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত একখণ্ড জমি বিক্রি করতে চাইছিলো। এ খবরে একই গ্রামের সন্ত্রাসী আলিফ তার পছন্দের ক্রেতার কাছে কম মূল্যে জমি বিক্রির জন্য চাপ দিচ্ছিল। এতে তারা অস্বীকৃতি জানায়। এ কারণে ২৯ মার্চ ভোরে সন্ত্রাসীরা তার ভাইদেরকে মারধর করার করার জন্য বাড়িতেও যায়। কিন্তু বাড়ির সবাই ক্ষেতে পানি দিতে সজাগ থাকায় সন্ত্রাসীরা ব্যর্থ হয়। পরে তারা যায় ফজিলার বাড়িতে। এ সময় ফজিলা ফজরের নামাজ পড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরে তাকে ডেকে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসে সন্ত্রাসী আলিফ ও তার সহযোগেী হানিফ। এ সময় ওই দুই জনের নেতৃত্বে আরো কয়েকজন ফজিলার ওপর চড়াও হয়। পরে তার শরীরের সংবেদনশীল অংশে উপর্যুপরি লাথি ও কিল ঘুষি মারতে থাকে। এ পর্যায়ে ফজিলাকে মাটিতে ফেলে সন্ত্রাসীরা পা দিয়ে তার গলা চেপে ধরে তলপেটে বেশ কয়েকটি লাথি মারে। এ ঘটনায় ফজিলা গুরুত্বর আহত হয়। পরে তাকে আশংকাজনক অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩১ মার্চ সকাল সাড়ে দশটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশের ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, লাশের সুরতহাল তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর এ ঘটনায় বিকালে আজাদ মিয়া একজন বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।