ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

করোনা মোকাবেলায় শেরপুর জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে দান করলেন শিক্ষার্থী, এক নারী ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্রের সহায়তার জন্য শেরপুর জেলা প্রশাসকের খোলা ত্রাণ তহবিলে এক শিক্ষার্থী, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত এক নারী ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অনুদান প্রদান করেছেন। ২৪ এপ্রিল বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ রজনীগন্ধা হল রুমে ত্রাণ সমন্বয় সভা শেষে জেলা প্রশাসকের হাতে ওইসব দানের টাকা তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হুইপ আতিউর রহমান আতিক, সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুর রহমান এবং পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীমসহ জনপ্রতিনিধি ও সরকারি অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এ দিন ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী দীপিকা পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য পোশাক কেনার সঞ্চিত এক হাজার ৮৭০ টাকা ত্রাণ তহবিলে দান করেন।

অন্যদিকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত জেলার নকলা উপজেলার কেজাইকাটা গ্রামের সৈয়দা উম্মে কুলসুম রেনু দুই লাখ টাকা দেন। রেনু জানান, আহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ২০ লাখ টাকা এফডিআর করে দেন। ওই টাকার লভ্যাংশ থেকে এ টাকা দান করেন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা।

এছাড়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান তার এক মাসের বেতনের ৫৬ হাজার টাকা জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দেন।

এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব ।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

করোনা মোকাবেলায় শেরপুর জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে দান করলেন শিক্ষার্থী, এক নারী ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ০৩:১৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২০

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্রের সহায়তার জন্য শেরপুর জেলা প্রশাসকের খোলা ত্রাণ তহবিলে এক শিক্ষার্থী, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত এক নারী ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অনুদান প্রদান করেছেন। ২৪ এপ্রিল বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ রজনীগন্ধা হল রুমে ত্রাণ সমন্বয় সভা শেষে জেলা প্রশাসকের হাতে ওইসব দানের টাকা তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হুইপ আতিউর রহমান আতিক, সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুর রহমান এবং পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীমসহ জনপ্রতিনিধি ও সরকারি অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এ দিন ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী দীপিকা পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য পোশাক কেনার সঞ্চিত এক হাজার ৮৭০ টাকা ত্রাণ তহবিলে দান করেন।

অন্যদিকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত জেলার নকলা উপজেলার কেজাইকাটা গ্রামের সৈয়দা উম্মে কুলসুম রেনু দুই লাখ টাকা দেন। রেনু জানান, আহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ২০ লাখ টাকা এফডিআর করে দেন। ওই টাকার লভ্যাংশ থেকে এ টাকা দান করেন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা।

এছাড়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান তার এক মাসের বেতনের ৫৬ হাজার টাকা জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দেন।

এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব ।