ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরের ১৩ গ্রামে পালিত হচ্ছে আগাম ঈদুল আজহা

ঈদুল আজহার জামাত। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ঈদুল আজহার জামাত। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে শেরপুরের তিনটি উপজেলার ১৩টি গ্রামে আগাম ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে। গ্রামগুলো হলো- শেরপুর সদর উপজেলার উত্তর চরখারচর ও দক্ষিণ চরখারচর, মুন্সীরচর, বামনেরচর, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া, মধ্যপাড়া, চিনামারা, গোবিন্দনগর ও ছয়আনি পাড়া, নকলা উপজেলার নারায়নখোলা, বানেশ্বর্দী ও চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও চতল। ১১ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ওইসব গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহার জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উত্তর চরখারচর গ্রামের মুসল্লী মুন্তাজ আলী বলেন, প্রতিটি জামাতে মুসল্লীর সংখ্যা ছিল দুই শতাধিক। এসব জামাতে পুরুষ মুসুল্লীদের পাশাপাশি নারী মুসল্লীরাও পর্দার ভিতরে নামাজে অংশ নেন। নামাজের পর পারস্পরিক কোলাকোলি শেষে প্রত্যেকেই অংশ নেন প্রীতিভোজে। পরবর্তীতে মুসল্লীরা গরু-ছাগল কোরবানি করেন।

নন্নী পশ্চিমপাড়া এলাকার মুসল্লী আশফাক মিয়া বলেন, কয়েক বছর যাবত শেরপুরের তিনটি উপজেলার ১৩টি গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে একদিন আগেই পবিত্র ঈদ পালনকারীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরের ১৩ গ্রামে পালিত হচ্ছে আগাম ঈদুল আজহা

আপডেট সময় ০৭:৩১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০১৯
ঈদুল আজহার জামাত। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে শেরপুরের তিনটি উপজেলার ১৩টি গ্রামে আগাম ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে। গ্রামগুলো হলো- শেরপুর সদর উপজেলার উত্তর চরখারচর ও দক্ষিণ চরখারচর, মুন্সীরচর, বামনেরচর, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া, মধ্যপাড়া, চিনামারা, গোবিন্দনগর ও ছয়আনি পাড়া, নকলা উপজেলার নারায়নখোলা, বানেশ্বর্দী ও চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও চতল। ১১ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ওইসব গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহার জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উত্তর চরখারচর গ্রামের মুসল্লী মুন্তাজ আলী বলেন, প্রতিটি জামাতে মুসল্লীর সংখ্যা ছিল দুই শতাধিক। এসব জামাতে পুরুষ মুসুল্লীদের পাশাপাশি নারী মুসল্লীরাও পর্দার ভিতরে নামাজে অংশ নেন। নামাজের পর পারস্পরিক কোলাকোলি শেষে প্রত্যেকেই অংশ নেন প্রীতিভোজে। পরবর্তীতে মুসল্লীরা গরু-ছাগল কোরবানি করেন।

নন্নী পশ্চিমপাড়া এলাকার মুসল্লী আশফাক মিয়া বলেন, কয়েক বছর যাবত শেরপুরের তিনটি উপজেলার ১৩টি গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে একদিন আগেই পবিত্র ঈদ পালনকারীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে।