ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও প্রেরণা বিএনপিকে পথ দেখায়: মির্জা ফখরুল শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিন : জামালপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে ইসলামপুরে বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত যমুনা নদীতে পিটিয়ে হত্যা আদালতের ডিক্রিপ্রাপ্ত জমি বেদখলের চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গণশুনানি : জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের বিভিন্ন অভিযোগ, সমস্যার কথা শুনলেন ডিআরএম তারেক রহমানের প্রত্যয় : বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: দারিদ্র্যমুক্ত ও টেকসই রাষ্ট্র গঠন জামালপুরে স্ক্রিপ্ট প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন

পাট রক্ষায় বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়নের আহবান পাটমন্ত্রীর

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীর প্রতীক পাট রক্ষায় বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়নের আহবান জানিয়েছেন।

৫ মার্চ বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনে (বিজেএমসি) জাতীয় পাট দিবস- ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত ‘বিশ্ব বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের বিপণনে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

দস্তগীর গাজী বলেন, ‘পাট শিল্প রক্ষায় সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার গতি দ্রুত বাড়ানো হবে। বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা যদি বাধ্যতামূলকভাবে পাট পণ্যের ব্যবহার বাস্তবায়ন করতে না পারি তাহলে পাট শিল্প রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এজন্য এখন থেকে নিয়মিত পাট রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।’

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পরিচালক ড. খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিজেএমসির চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাছিম, বিজেএমএ ও বিজেজিএ প্রতিনিধিসহ পাট সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, বিশ্ব বাজারে পাটের বাজার নিম্নমুখি হওয়ার কারণে পাটশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে পাটের সম্ভাবনা অনেকাংশে নষ্ট হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ব এখন প্লাস্টিক পণ্যকে বর্জন করতে শুরু করেছে। আর সেজন্য আমরা এখন পাটের সুদিন নিয়ে আশাবাদী। আমাদেরকে এখন পাটের সম্ভাবনার বিষয়গুলোকে নিয়ে কাজ করতে হবে। খুব দ্রুত এগিয়ে যেতে হবে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে পাটকে এগিয়ে নিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

পাটমন্ত্রী বলেন, পাটের বহুমুখি ব্যবহার বাড়াতে বেশি বেশি মেলার আয়োজন করতে হবে। দেশের বিভিন্ন জেলায় পাটের স্টল খুলতে হবে। তাহলে অভ্যন্তরীণ বাজারে পাটের পণ্য কেনার আগ্রহ বাড়বে।

এর আগে মন্ত্রী ‘জাতীয় পাট দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। শোভাযাত্রাটি জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে খামারবাড়ি মোড় ঘুরে এসে শেষ হয়। বস্ত্র ও পাট শিল্প মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানসহ কমর্কতাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

পাট রক্ষায় বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়নের আহবান পাটমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১০:০০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীর প্রতীক পাট রক্ষায় বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়নের আহবান জানিয়েছেন।

৫ মার্চ বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনে (বিজেএমসি) জাতীয় পাট দিবস- ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত ‘বিশ্ব বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের বিপণনে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

দস্তগীর গাজী বলেন, ‘পাট শিল্প রক্ষায় সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার গতি দ্রুত বাড়ানো হবে। বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা যদি বাধ্যতামূলকভাবে পাট পণ্যের ব্যবহার বাস্তবায়ন করতে না পারি তাহলে পাট শিল্প রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এজন্য এখন থেকে নিয়মিত পাট রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।’

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পরিচালক ড. খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিজেএমসির চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাছিম, বিজেএমএ ও বিজেজিএ প্রতিনিধিসহ পাট সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, বিশ্ব বাজারে পাটের বাজার নিম্নমুখি হওয়ার কারণে পাটশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে পাটের সম্ভাবনা অনেকাংশে নষ্ট হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ব এখন প্লাস্টিক পণ্যকে বর্জন করতে শুরু করেছে। আর সেজন্য আমরা এখন পাটের সুদিন নিয়ে আশাবাদী। আমাদেরকে এখন পাটের সম্ভাবনার বিষয়গুলোকে নিয়ে কাজ করতে হবে। খুব দ্রুত এগিয়ে যেতে হবে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে পাটকে এগিয়ে নিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

পাটমন্ত্রী বলেন, পাটের বহুমুখি ব্যবহার বাড়াতে বেশি বেশি মেলার আয়োজন করতে হবে। দেশের বিভিন্ন জেলায় পাটের স্টল খুলতে হবে। তাহলে অভ্যন্তরীণ বাজারে পাটের পণ্য কেনার আগ্রহ বাড়বে।

এর আগে মন্ত্রী ‘জাতীয় পাট দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। শোভাযাত্রাটি জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে খামারবাড়ি মোড় ঘুরে এসে শেষ হয়। বস্ত্র ও পাট শিল্প মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানসহ কমর্কতাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস