ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জান্নাতুল ফেরদৌস মনিকে মহিলা এমপি হিসেবে দেখতে চায় জামালপুরবাসী

জান্নাতুল ফেরদৌস মনি

জান্নাতুল ফেরদৌস মনি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুরের সংরক্ষিত মহিলা আসনে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মনিকে সংসদ সদস্য হিসেবে পেতে চায় জামালপুরের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীবৃন্দ। ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী থেকে ’৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সময়ের সাহসী নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মনি ছোটবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করে স্বপ্নের সোনার বাংলা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে একজন সহযোদ্ধা হয়ে জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে চান। সেই সাথে নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর আধিকার বাস্তাবায়ন করে, নারী তথা যুব সমাজের উন্নয়নে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একটি কর্মমুখী উন্নত জাতি হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সবসময়ই বদ্ধ পরিকর।

জান্নাতুল ফেরদৌস মনি জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার মহিষবাথান এলাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত ফয়জুল ইসলাম। তার বাবা ১৯৭১ সাথে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে দেশকে স্বাধীন করে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথেই সম্পৃক্ত ছিলেন। তার সহোদর ভাই কামরুল ইসলাম ১৯৯৬ সাথে আওয়ামী লীগের অসহযোগ আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। স্বামী মো. ময়নুর রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে থেকেই বর্তমানে সিএনএফ ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন।

ছোটকাল থেকেই জান্নাতুল ফেরদৌস মনির ছিল দেশ ও দেশের মানুষদের নিয়ে চিন্তাভাবনা। সে আলোকেই ৯০ এর গণআন্দোলনে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ সংসদে নেতৃত্ব, ছাত্রলীগের সহসভাপতি, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বর্তমান সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি জান্নাতুল ফেরদৌস মনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এ ছাড়া ঢাকার বন্ধন সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা, লায়নস ক্লাব, সাবেক সদস্য যুব রেড ক্রিসেন্ট ও মাদারগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সদালাপী, হাস্যজ্জ্বল এই নারী নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণে আর বর্তমার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে, দারিদ্রতামুক্ত, সুখী সমৃদ্ধশালী, আত্মনির্ভশীল, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

জান্নাতুল ফেরদৌস মনিকে মহিলা এমপি হিসেবে দেখতে চায় জামালপুরবাসী

আপডেট সময় ০৮:১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
জান্নাতুল ফেরদৌস মনি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুরের সংরক্ষিত মহিলা আসনে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মনিকে সংসদ সদস্য হিসেবে পেতে চায় জামালপুরের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীবৃন্দ। ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী থেকে ’৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সময়ের সাহসী নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মনি ছোটবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করে স্বপ্নের সোনার বাংলা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে একজন সহযোদ্ধা হয়ে জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে চান। সেই সাথে নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর আধিকার বাস্তাবায়ন করে, নারী তথা যুব সমাজের উন্নয়নে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একটি কর্মমুখী উন্নত জাতি হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সবসময়ই বদ্ধ পরিকর।

জান্নাতুল ফেরদৌস মনি জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার মহিষবাথান এলাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত ফয়জুল ইসলাম। তার বাবা ১৯৭১ সাথে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে দেশকে স্বাধীন করে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথেই সম্পৃক্ত ছিলেন। তার সহোদর ভাই কামরুল ইসলাম ১৯৯৬ সাথে আওয়ামী লীগের অসহযোগ আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। স্বামী মো. ময়নুর রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে থেকেই বর্তমানে সিএনএফ ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন।

ছোটকাল থেকেই জান্নাতুল ফেরদৌস মনির ছিল দেশ ও দেশের মানুষদের নিয়ে চিন্তাভাবনা। সে আলোকেই ৯০ এর গণআন্দোলনে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ সংসদে নেতৃত্ব, ছাত্রলীগের সহসভাপতি, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বর্তমান সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি জান্নাতুল ফেরদৌস মনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এ ছাড়া ঢাকার বন্ধন সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা, লায়নস ক্লাব, সাবেক সদস্য যুব রেড ক্রিসেন্ট ও মাদারগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সদালাপী, হাস্যজ্জ্বল এই নারী নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণে আর বর্তমার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে, দারিদ্রতামুক্ত, সুখী সমৃদ্ধশালী, আত্মনির্ভশীল, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।