ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

দেওয়ানগঞ্জে বেগুনের কেজি ২ টাকা, চাষীর মাথায় হাত

বেগুনের খরচ না উঠায় চাষীর মাথায় হাত। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

বেগুনের খরচ না উঠায় চাষীর মাথায় হাত। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

মদন মোহন ঘোষ, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বেগুনের কেজি দু’টাকা! আবাদের খরচ না উঠায় হতাশ চাষীরা। ভরা মৌসুমে এককেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে দু’টাকায়। বাজারে দাম না থাকায় অনেক কৃষক তাদের বেগুন ক্ষেতেই রেখে দিচ্ছেন গোখাদ্য হিসাবে।

দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর উপজেলার বেগুনের সুনাম থাকায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বড় জাতের গোল তাল বেগুন, চিকন লম্বা শিংনাথ, বড় সাদা সুপারগ্রিন, ছোট জাতের ঝুনকা, উত্তরা জাতের বেগুনের চাহিদা ব্যাপক।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্র জানায়. দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ৮ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ৭ হাজার বেগুনচাষী রয়েছে। ৩৫০ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন হয় ৩০-৩২ মেট্রিক টন। প্রতি বিঘায় খরচ হয় ১৫-১৮ হাজার টাকা। ১০ টাকা কেজি দরে ৬০-৭০ হাজার টাকা ভাল হওয়ার কথা।

দেওয়ানগঞ্জ পৌর হাটে বেগুন বিক্রি করতে আসা আহাম্মদ আলী বলেন, একবিঘা জমিতে বেগুন আবাদ করতে ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হইছে। ৩ হাজার টাকাও বিক্রি করতে পারি নাই। লাভ তো দূরের কথা, হাটে বেগুন নিয়ে আসার রিকশাভাড়াও উঠে না।

কৃষক বাবুল বলেন, এবার বেগুনের ফলন ভাল। বেশি হওয়ায় বাজারের দাম পরে গেছে খরচ উঠছে না। ক্ষেতের বেগুন ক্ষেতেই রেখেছি।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এর কারণে চাষীরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এলাকায় বেগুন সংরক্ষণের জন্য হিমাগার না থাকায় এসব বেগুন সংরক্ষণেরও সুযোগ নেই।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

দেওয়ানগঞ্জে বেগুনের কেজি ২ টাকা, চাষীর মাথায় হাত

আপডেট সময় ০৮:২৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জানুয়ারী ২০১৯
বেগুনের খরচ না উঠায় চাষীর মাথায় হাত। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

মদন মোহন ঘোষ, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বেগুনের কেজি দু’টাকা! আবাদের খরচ না উঠায় হতাশ চাষীরা। ভরা মৌসুমে এককেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে দু’টাকায়। বাজারে দাম না থাকায় অনেক কৃষক তাদের বেগুন ক্ষেতেই রেখে দিচ্ছেন গোখাদ্য হিসাবে।

দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর উপজেলার বেগুনের সুনাম থাকায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বড় জাতের গোল তাল বেগুন, চিকন লম্বা শিংনাথ, বড় সাদা সুপারগ্রিন, ছোট জাতের ঝুনকা, উত্তরা জাতের বেগুনের চাহিদা ব্যাপক।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্র জানায়. দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ৮ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ৭ হাজার বেগুনচাষী রয়েছে। ৩৫০ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন হয় ৩০-৩২ মেট্রিক টন। প্রতি বিঘায় খরচ হয় ১৫-১৮ হাজার টাকা। ১০ টাকা কেজি দরে ৬০-৭০ হাজার টাকা ভাল হওয়ার কথা।

দেওয়ানগঞ্জ পৌর হাটে বেগুন বিক্রি করতে আসা আহাম্মদ আলী বলেন, একবিঘা জমিতে বেগুন আবাদ করতে ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হইছে। ৩ হাজার টাকাও বিক্রি করতে পারি নাই। লাভ তো দূরের কথা, হাটে বেগুন নিয়ে আসার রিকশাভাড়াও উঠে না।

কৃষক বাবুল বলেন, এবার বেগুনের ফলন ভাল। বেশি হওয়ায় বাজারের দাম পরে গেছে খরচ উঠছে না। ক্ষেতের বেগুন ক্ষেতেই রেখেছি।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এর কারণে চাষীরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এলাকায় বেগুন সংরক্ষণের জন্য হিমাগার না থাকায় এসব বেগুন সংরক্ষণেরও সুযোগ নেই।