ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মানুষের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া আবশ্যক : রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যে বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান পর্যটন মন্ত্রীর মাদারগঞ্জে ২২ জনকে প্রায় ৯ লাখ টাকার ঋণ সহায়তা প্রদান কমরেড মনজুরুল খানের ৮১তম জন্মদিনে বিনামূল্যে চক্ষুচিকিৎসা সেবা নকলায় ভারতীয় ৩৭ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ তরুণী আটক মাদারগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ১২ দফা দাবিতে জামালপুরে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের স্মারকলিপি পেশ ইসলামপুরে পাঁচ দোকান ভস্মীভূত, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি

১১-১৪ ডিসেম্বর ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, জামালপুরে ৩ লাখ ২২ হাজার শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’

জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সাংবাদিক কর্মশালা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সাংবাদিক কর্মশালা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ‘ভিটামিন এ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে জামালপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিকদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার জেলায় তিন লাখ ২২ হাজার ৩৮৯ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৮ ডিসেম্বর জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভা কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার সভাপতি জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস সাংবাদিকদের জানান, শিশুদের অপুষ্টি নিরাময়, অন্ধত্ব প্রতিরোধ, শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর সারাদেশের মতো জামালপুরেও ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপিত হবে। কান্নারত শিশুদের এবং অসুস্থ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল না খাওয়াতে সতর্ক করাসহ এই ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতিমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলায় এবার তিন লাখ ২২ হাজার ৩৮৯ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৫ হাজার ৬৫৪ শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৮৬ হাজার ৭৩৫ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলার সাতটি উপজেলার স্থায়ী, অস্থায়ী, অতিরিক্ত, মোবাইল ও দুর্গম এলাকার ৫৫২টি সাব ব্লকসহ মোট এক হাজার ৬৯২টি কেন্দ্রে একযোগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আবু আহাম্মেদ শাফী, মেডিকেল অফিসার তাসমীম রুহী মীম, জুনিয়র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, সিনিয়র জেলা তথ্য অফিসার শেখ মো. শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক জাহিদ হাবিব, মোস্তফা মনজু, মুকুল রানা, এম সুলতান আলম, শুভ্র মেহেদী, ইউছুফ আলী, আনোয়ার হোসেন মুক্তা, তানভীর হীরা প্রমুখ। কর্মশালায় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় দেনিক ও টেলিভিশনের সাংবাদিকরা অংশ নেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

১১-১৪ ডিসেম্বর ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, জামালপুরে ৩ লাখ ২২ হাজার শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’

আপডেট সময় ০১:২১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১
জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সাংবাদিক কর্মশালা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ‘ভিটামিন এ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে জামালপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিকদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার জেলায় তিন লাখ ২২ হাজার ৩৮৯ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৮ ডিসেম্বর জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভা কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার সভাপতি জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস সাংবাদিকদের জানান, শিশুদের অপুষ্টি নিরাময়, অন্ধত্ব প্রতিরোধ, শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর সারাদেশের মতো জামালপুরেও ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপিত হবে। কান্নারত শিশুদের এবং অসুস্থ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল না খাওয়াতে সতর্ক করাসহ এই ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতিমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলায় এবার তিন লাখ ২২ হাজার ৩৮৯ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৫ হাজার ৬৫৪ শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৮৬ হাজার ৭৩৫ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলার সাতটি উপজেলার স্থায়ী, অস্থায়ী, অতিরিক্ত, মোবাইল ও দুর্গম এলাকার ৫৫২টি সাব ব্লকসহ মোট এক হাজার ৬৯২টি কেন্দ্রে একযোগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আবু আহাম্মেদ শাফী, মেডিকেল অফিসার তাসমীম রুহী মীম, জুনিয়র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, সিনিয়র জেলা তথ্য অফিসার শেখ মো. শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক জাহিদ হাবিব, মোস্তফা মনজু, মুকুল রানা, এম সুলতান আলম, শুভ্র মেহেদী, ইউছুফ আলী, আনোয়ার হোসেন মুক্তা, তানভীর হীরা প্রমুখ। কর্মশালায় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় দেনিক ও টেলিভিশনের সাংবাদিকরা অংশ নেন।