ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

দেওয়ানগঞ্জে ৫০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতু, ঝুঁকি নিয়ে ১০ হাজার মানুষের ভোগান্তি

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী শাখা খালের ওপর গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকো। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী শাখা খালের ওপর গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকো। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) থেকে
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী শাখা খালে একটি সেতুর অভাবে মাখনের চর ও নিমাইমারী বাঘার চর গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে স্কুল, কলেজ শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।

স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিবাহিত হলেও ওই খালে নির্মাণ হয়নি একটি সেতু। প্রতিবছর গ্রামবাসী স্বেচ্ছা শ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাতায়াত করে থাকে।

জানা গেছে, উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাংধরা ইউনিয়নের মাখনের চর ও নিমাই মারী, বাঘার চর গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। প্রতিবছর বন্যা মৌসুমে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হয়ে থাকে। পশ্চিম পাশে বাঘার চর, কাউনিয়ার চর উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ, সানন্দবাড়ী হাট, মহাসড়ক, নিমাই মারী ও পূর্ব পাশে মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা মাখনের চর গ্রাম। নদীর এক প্রান্তে কাউনিয়ার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, গালর্স স্কুল, কাউনিয়ার ও বাঘার চর বাজার। প্রতিদিন ওই এলাকার মানুষ ও শিশু শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশে সাকোঁ দিয়ে চলাচল করে আসছে।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী শাখা খালের ওপর গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকো। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

কৃষক হযরত আলী জানান, প্রতি বছর নিজেদের খরচে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি থই থই করে নরবড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে ভয় হয়।

ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান জানান, সেতুটি নির্মাণের জন্য আমরা অনেক দৌড়াদৌড়ি করছি কিন্তু আশার আলো দেখিনা।

ডাংধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ মাসুদ জানান, জিঞ্জিরাম নদীর শাখা খালে সেতু না থাকায় ৫০ বছর ধরে মাখনের চর, বাঘার চর, নিমাই গ্রামের মানুষ যাতায়াতে ভোগান্তি শিকার হয়ে আসছে। সেতুটি নির্মাণ হলে এলাকার মানুষের ভাগ্যের সুফল আসবে। সেতু নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

দেওয়ানগঞ্জে ৫০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতু, ঝুঁকি নিয়ে ১০ হাজার মানুষের ভোগান্তি

আপডেট সময় ০৩:২০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী শাখা খালের ওপর গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকো। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) থেকে
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী শাখা খালে একটি সেতুর অভাবে মাখনের চর ও নিমাইমারী বাঘার চর গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে স্কুল, কলেজ শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।

স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিবাহিত হলেও ওই খালে নির্মাণ হয়নি একটি সেতু। প্রতিবছর গ্রামবাসী স্বেচ্ছা শ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাতায়াত করে থাকে।

জানা গেছে, উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাংধরা ইউনিয়নের মাখনের চর ও নিমাই মারী, বাঘার চর গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। প্রতিবছর বন্যা মৌসুমে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হয়ে থাকে। পশ্চিম পাশে বাঘার চর, কাউনিয়ার চর উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ, সানন্দবাড়ী হাট, মহাসড়ক, নিমাই মারী ও পূর্ব পাশে মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা মাখনের চর গ্রাম। নদীর এক প্রান্তে কাউনিয়ার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, গালর্স স্কুল, কাউনিয়ার ও বাঘার চর বাজার। প্রতিদিন ওই এলাকার মানুষ ও শিশু শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশে সাকোঁ দিয়ে চলাচল করে আসছে।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী শাখা খালের ওপর গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকো। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

কৃষক হযরত আলী জানান, প্রতি বছর নিজেদের খরচে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি থই থই করে নরবড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে ভয় হয়।

ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান জানান, সেতুটি নির্মাণের জন্য আমরা অনেক দৌড়াদৌড়ি করছি কিন্তু আশার আলো দেখিনা।

ডাংধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ মাসুদ জানান, জিঞ্জিরাম নদীর শাখা খালে সেতু না থাকায় ৫০ বছর ধরে মাখনের চর, বাঘার চর, নিমাই গ্রামের মানুষ যাতায়াতে ভোগান্তি শিকার হয়ে আসছে। সেতুটি নির্মাণ হলে এলাকার মানুষের ভাগ্যের সুফল আসবে। সেতু নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।