ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ইসলামপুরে বৃদ্ধ দম্পত্তি চায় নিরাপদ ঘর, দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা

ইসলমাপুর : মানবেতর জীবন পার করছেন বৃদ্ধ হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাথা গোঁজার ঠাঁই বলতে শুধুই একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর। রোদ-বৃষ্টি কিংবা হাড়কাঁপানো শীত সবই সইয়ে জীবনযাপন করতে হয় ঝুপড়ির ভেতর। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও দুবেলা দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা নেই।

এমন মানবেতর জীবন পার করছেন বৃদ্ধ দম্পত্তি হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী। সরকারের সহায়তা বলতে একটি বয়স্কভাতার কার্ড পেলেও তা দিয়ে অক্ষম অবস্থায় জীবনচলা অনেকইটাই কঠিন। অক্ষম দম্পত্তি শেষ বয়সে থাকা ও দুমুঠো খাবারে নিশ্চয়তার সহযোগিতা চান।

সরেজমিনে দেখা যায়, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নে পঁচাবহলা গ্রামের এই অসহায় দম্পতির ভাগ্যে জুটেনি একটু আরাম কিংবা সন্তানদের মমতা। অযত্নে অবহেলায় চরম অভাবের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। জরাজীর্ণ ঘরের চাল দিয়ে যেমন আকাশ দেখা যায়, তেমনি তাদের চোখেও ফুটে উঠেছে অনিশ্চয়তার ছাপ।

স্থানীয়রা জানান, আশির কোঠায় হাফিজুর রহমানের শারীরিক অক্ষমতার কারণে কাজ করার সামর্থ্য হারিয়েছেন অনেক আগেই। তবুও পেটের তাগিদে অনেক সময় অন্যের দ্বারে হাত পাততে হয়। দুই ছেলে দুই মেয়ে থাকলেও বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খোঁজ রাখেনি কেউ। ফলে তাদের দিন কাটছে চরম অযত্নে অবহেলায়।

কান্নাভেজা চোখে বৃদ্ধ হাফিজুর রহমান বলেন, বাপু, ঘরটা যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। বৃষ্টি হলে ঘরে পানি পরে। রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারি না। তার উপর খাবারের কষ্ট তো আছেই। সন্তানদের কাছে চেয়েও কিছু পাই না। আমাকে একটি নিরাপদ ঘর এবং নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

ইসলামপুরে বৃদ্ধ দম্পত্তি চায় নিরাপদ ঘর, দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা

আপডেট সময় ১০:১৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মাথা গোঁজার ঠাঁই বলতে শুধুই একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর। রোদ-বৃষ্টি কিংবা হাড়কাঁপানো শীত সবই সইয়ে জীবনযাপন করতে হয় ঝুপড়ির ভেতর। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও দুবেলা দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা নেই।

এমন মানবেতর জীবন পার করছেন বৃদ্ধ দম্পত্তি হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী। সরকারের সহায়তা বলতে একটি বয়স্কভাতার কার্ড পেলেও তা দিয়ে অক্ষম অবস্থায় জীবনচলা অনেকইটাই কঠিন। অক্ষম দম্পত্তি শেষ বয়সে থাকা ও দুমুঠো খাবারে নিশ্চয়তার সহযোগিতা চান।

সরেজমিনে দেখা যায়, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নে পঁচাবহলা গ্রামের এই অসহায় দম্পতির ভাগ্যে জুটেনি একটু আরাম কিংবা সন্তানদের মমতা। অযত্নে অবহেলায় চরম অভাবের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। জরাজীর্ণ ঘরের চাল দিয়ে যেমন আকাশ দেখা যায়, তেমনি তাদের চোখেও ফুটে উঠেছে অনিশ্চয়তার ছাপ।

স্থানীয়রা জানান, আশির কোঠায় হাফিজুর রহমানের শারীরিক অক্ষমতার কারণে কাজ করার সামর্থ্য হারিয়েছেন অনেক আগেই। তবুও পেটের তাগিদে অনেক সময় অন্যের দ্বারে হাত পাততে হয়। দুই ছেলে দুই মেয়ে থাকলেও বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খোঁজ রাখেনি কেউ। ফলে তাদের দিন কাটছে চরম অযত্নে অবহেলায়।

কান্নাভেজা চোখে বৃদ্ধ হাফিজুর রহমান বলেন, বাপু, ঘরটা যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। বৃষ্টি হলে ঘরে পানি পরে। রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারি না। তার উপর খাবারের কষ্ট তো আছেই। সন্তানদের কাছে চেয়েও কিছু পাই না। আমাকে একটি নিরাপদ ঘর এবং নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি।