ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জামালপুরে ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত

জামালপুর : লাঠিবারি খেলা। ছবি : বাংলারচিঠ্যিডটকম

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আধুনিক সভ্যতার আড়ালে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢোলের তালে লাঠির আঘাত, প্রতিরোধের খটখট শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা।

১৮ এপ্রিল, শনিবার বিকালে জামালপুর পৌরসভার লাঙ্গলজোড়া আলিহারপুর এলাকায় লাঠিবারি খেলা দেখতে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।

লাঙ্গলজোড়া পূর্ব নাছিরপুর দক্ষিণ কূর্শা দুর্বার সংঘের সভাপতি মো. তানজিনুল ইসলাম তানজিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত লাঠিবারি খেলার আলোচনা সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জামালপুর শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর শহর বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী, জ্যেষ্ঠ যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজিব, শহর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মাইন উদ্দিন বাবুল, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি (দক্ষিণ) শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুর ইসলাম মমিন প্রমুখ।

জামালপুর : জামালপুর শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও অন্যান অতিথিবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি (দক্ষিণ) শাখার জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মো. হযরত আলী খান, সহ-সভাপতি মো. রুবেল বক্স , জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন বিদ্যুত ও সততা ব্রিক্স-২ এর স্বত্বাধিকারী মো. হাবিল উদ্দিন প্রমুখ।

জামালপুর শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে এই ধরনের অনুষ্ঠান খুবই দরকার। খেলায় যারা অংশগ্রহণ করেছে তাদেরকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কয়েক হাজার মানুষ আজ প্রাচীন এই খেলা উপভোগ করেছেন। যা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে সহায়ক হবে।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

জামালপুরে ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আধুনিক সভ্যতার আড়ালে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢোলের তালে লাঠির আঘাত, প্রতিরোধের খটখট শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা।

১৮ এপ্রিল, শনিবার বিকালে জামালপুর পৌরসভার লাঙ্গলজোড়া আলিহারপুর এলাকায় লাঠিবারি খেলা দেখতে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।

লাঙ্গলজোড়া পূর্ব নাছিরপুর দক্ষিণ কূর্শা দুর্বার সংঘের সভাপতি মো. তানজিনুল ইসলাম তানজিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত লাঠিবারি খেলার আলোচনা সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জামালপুর শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর শহর বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী, জ্যেষ্ঠ যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজিব, শহর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মাইন উদ্দিন বাবুল, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি (দক্ষিণ) শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুর ইসলাম মমিন প্রমুখ।

জামালপুর : জামালপুর শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও অন্যান অতিথিবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি (দক্ষিণ) শাখার জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মো. হযরত আলী খান, সহ-সভাপতি মো. রুবেল বক্স , জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন বিদ্যুত ও সততা ব্রিক্স-২ এর স্বত্বাধিকারী মো. হাবিল উদ্দিন প্রমুখ।

জামালপুর শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে এই ধরনের অনুষ্ঠান খুবই দরকার। খেলায় যারা অংশগ্রহণ করেছে তাদেরকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কয়েক হাজার মানুষ আজ প্রাচীন এই খেলা উপভোগ করেছেন। যা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে সহায়ক হবে।